সুপারস্টার থেকে সুপারমম, বক্স অফিসের চেয়েও মাতৃত্বেই জীবনের শ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি শুভশ্রীর! – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
টলিউডের প্রথম সারির বাণিজ্যিক ছবির গ্ল্যামার কুইন থেকে ভিন্নধারার প্রজেক্টের পাওয়ারহাউস পারফর্মার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। ‘পরিণীতা’, ‘ইন্দুবালা ভাতের হোটেল’ বা সাম্প্রতিক ‘বাবলি’-র মতো কাজে দর্শক তাঁর অভিনয় দক্ষতার প্রমাণ পেয়েছেন। তবে পেশাদার জীবনের এই চূড়ান্ত সাফল্যের শিখরে দাঁড়িয়েও এই অভিনেত্রী মনে করেন, তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন কোনো বক্স অফিস হিট বা পুরস্কার নয়, বরং তাঁর মাতৃত্ব।
কেরিয়ারের অতৃপ্তি ও ছক ভাঙা সাফল্য
একের পর এক সফল ছবি উপহার দিলেও একজন শিল্পী হিসেবে শুভশ্রীর ভেতরে এক অদ্ভুত অতৃপ্তি কাজ করে। সম্প্রতি তিনি জানিয়েছেন, অভিনয়ে তাঁর এখনও অনেক পথ চলা এবং অর্জন করা বাকি। তবে ব্যক্তিগত জীবনের ক্ষেত্রে তাঁর ভাবনা সম্পূর্ণ ভিন্ন। কেরিয়ারের মধ্যগগনে থাকা অবস্থায় ২০২০ সালে প্রথম সন্তান ইউভান এবং পরবর্তীতে কন্যাসন্তান ইয়ালিনির মা হন তিনি। টলিউডে একসময় প্রচলিত ধারণা ছিল, বিয়ে বা মা হওয়ার পর অভিনেত্রীদের কেরিয়ারের গ্রাফ নিম্নমুখী হতে শুরু করে। শুভশ্রী সেই পুরনো মিথ বা ধ্যানধারণাকে ভেঙে প্রমাণ করেছেন যে, মাতৃত্ব কেরিয়ারের কোনো বাধা নয়, বরং তা নারীর এক নতুন শক্তির উৎস।
মাতৃত্ব ও কর্মজীবনের নিখুঁত ভারসাম্য
গ্ল্যামার দুনিয়ার লাইমলাইট ও ইঁদুরদৌড়কে ছাপিয়ে ‘সুপার-মম’ সত্ত্বাকেই সর্বদা এগিয়ে রাখছেন এই অভিনেত্রী। একইসঙ্গে নিজের কাজের গতিও বিন্দুমাত্র কমতে দেননি। মা হিসেবে সন্তানদের দায়িত্ব সামলানোর পাশাপাশি তিনি ফ্লোরেও সমানতালে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন, যা আধুনিক সমাজে বহু কর্মরত নারীর জন্য একটি ইতিবাচক প্রভাব ও অনুপ্রেরণা তৈরি করছে। এই মুহূর্তে তাঁর ঝুলিতে রয়েছে একাধিক মেগা প্রজেক্ট। খুব শীঘ্রই মুক্তি পেতে চলেছে ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্তের ছবি ‘অভিমান’, যেখানে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় ও যিশু সেনগুপ্তর সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করবেন তিনি। এছাড়া আগামীতে ‘দেশু ৭’ ছবিতে দেবের বিপরীতেও তাঁকে দেখা যাবে। পেশাদারিত্ব এবং মাতৃত্বের এই অনবদ্য মেলবন্ধন টলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
