হরমুজ প্রণালীতে চরম উত্তেজনা, বিশ্বজুড়ে কি তবে বড় সংকটের পদধ্বনি?

৫০ দিন ধরে চলা উত্তেজনা প্রশমনের আশা জাগলেও, ফের অশান্ত হয়ে উঠেছে পারস্য উপসাগরের কৌশলগত জলপথ হরমুজ প্রণালী। লেবাননে যুদ্ধবিরতির আবহে ইরান এই পথ খুলে দিলেও, শনিবার তা পুনরায় বন্ধ করে দেয় তেহরান। ইরানের অভিযোগ, আমেরিকা প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে ইরানি বন্দরে অবরোধ বজায় রেখেছে। পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, হরমুজ বন্ধ করে তেহরান ওয়াশিংটনকে ‘ব্ল্যাকমেইল’ করতে পারবে না। এই পরিস্থিতিতে ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এখন থেকে নির্দিষ্ট ‘নিরাপত্তা শুল্ক’ প্রদানকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকেই এই জলপথ অতিক্রমের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
ইরানি নৌবাহিনী বর্তমানে হরমুজ প্রণালীতে কঠোর নতুন প্রোটোকল কার্যকর করেছে, যার ফলে শনিবার অন্তত ২৭টি বাণিজ্যিক জাহাজ গন্তব্য পরিবর্তনের বাধ্য হয়েছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেই জানিয়েছেন, তাদের নৌবাহিনী যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত। অন্যদিকে, আমেরিকা কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়ে বলেছে, আন্তর্জাতিক জলসীমায় ইরান সংশ্লিষ্ট তেল ট্যাঙ্কার বাজেয়াপ্ত করা হতে পারে। ২২ এপ্রিল যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই দুই পক্ষের এই বাগযুদ্ধ ও সংঘাতের ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
