২৬ দিনের অনশন সমাপ্ত! হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে সোজা কোথায় পাড়ি দিলেন সোনম ওয়াংচুক? – এবেলা

২৬ দিনের অনশন সমাপ্ত! হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে সোজা কোথায় পাড়ি দিলেন সোনম ওয়াংচুক? – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

দীর্ঘ ২৬ দিনের দীর্ঘ ও কঠিন লড়াই শেষে অবশেষে গুরুগ্রামের মেদান্তা হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরলেন বিশিষ্ট সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক। NEET পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে তিনি টানা ২৬ দিন ধরে অনশন চালিয়ে যাচ্ছিলেন। শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি ঘটায় তাঁকে এর আগে সফদরজং হাসপাতাল থেকে মেদান্তায় স্থানান্তরিত করা হয়েছিল, যেখানে চিকিৎসকদের বিশেষ তত্ত্বাবধানে তাঁর চিকিৎসা চলে। বর্তমানে তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন বলে নিজেই জানিয়েছেন।

হাসপাতাল ছাড়ার পর ভিডিও বার্তা

হাসপাতাল থেকে মুক্তি পাওয়ার পর সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিও বার্তা শেয়ার করেছেন সোনম ওয়াংচুক। ভিডিওতে তাঁকে হাসপাতালের কক্ষে সুস্থ অবস্থায় চেয়ারে বসে থাকতে দেখা যায়। স্বস্তি প্রকাশ করে তিনি জানান, দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আজ তিনি হাসপাতাল থেকে নিজ বাসভূমির উদ্দেশ্যে রওনা দিচ্ছেন। তবে লাদাখে পৌঁছানোর আগে তিনি দিল্লির রাজঘাটে গিয়ে মহাত্মা গান্ধীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন এবং তারপরেই পাহাড়ের উদ্দেশ্যে পাড়ি দেবেন। আগের তুলনায় এখন তিনি অনেকটাই ভালো আছেন বলেও জানান তিনি।

দেশবাসীকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন

এই দীর্ঘ ও কঠিন আন্দোলন চলাকালীন যাঁরা তাঁর পাশে ছিলেন, সেই সমস্ত দেশবাসীকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন ওয়াংচুক। পাশাপাশি, গুরুগ্রামের মেদান্তা হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সিং স্টাফদের অসাধারণ ও আন্তরিক সেবার কথাও বিশেষভাবে উল্লেখ করেন তিনি। গোটা আন্দোলন জুড়ে যে অটুট ঐক্য দেখা গেছে, তার জন্য সকল সমর্থককে ধন্যবাদ জানান এই সমাজকর্মী।

আন্দোলনের নেপথ্য কাহিনী

উল্লেখ্য, যন্তর মন্তরে ‘ককরোচ পার্টি’র প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে গত ২৮ জুন অনশন শুরু করেছিলেন সোনম ওয়াংচুক। একটানা ২৬ দিন অনশন চালিয়ে যাওয়ার পর গত ১৮ জুলাই পুলিশ যন্তর মন্তর থেকে তাঁকে তুলে নিয়ে সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করে। পরবর্তীতে শারীরিক অবস্থা আরও খতিয়ে দেখতে তাঁকে মেদান্তা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। অবশেষে সরকারের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট আশ্বাস পাওয়ার পর গত ২৪ জুলাই তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে নিজের অনশন ভঙ্গ করেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *