কুর্সিতে বসেই অনুপ্রবেশ রুখতে কড়া শুভেন্দু! ৪৫ দিনে বিএসএফ-এর হাতে যাচ্ছে সীমান্ত জমি – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তনের পরপরই ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে দীর্ঘদিনের জমি-জট কাটানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। নতুন সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকেই অনুপ্রবেশ রুখতে বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স বা বিএসএফ-কে আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় জমি হস্তান্তরের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দেশের ও রাজ্যের সুরক্ষার স্বার্থে এই সিদ্ধান্তকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রীর এই কড়া বার্তার পরেই রবিবার উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ সীমান্তে কাঁটাতারের জন্য নির্দিষ্ট জমি পরিদর্শনে যান রাজ্যের মন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়া। সেখানে তিনি স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং প্রশাসনের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখেন। বিগত বিধানসভা নির্বাচনে অনুপ্রবেশ সমস্যাটি রাজনৈতিক প্রচারের অন্যতম প্রধান ইস্যু ছিল, যেখানে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ পূর্বতন সরকারের বিরুদ্ধে বিএসএফ-কে জমি না দেওয়ার অভিযোগ তুলেছিলেন। নতুন মুখ্যমন্ত্রী দায়িত্ব নিয়েই সেই জট দ্রুততার সঙ্গে খোলার পদক্ষেপ নিলেন।
সুরক্ষা নিশ্চিতের লক্ষ্যে দ্রুত পদক্ষেপ
মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন যে সীমান্ত এলাকার জনবিন্যাসের পরিবর্তন অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং এই জমি হস্তান্তর প্রক্রিয়া অবিলম্বে শুরু করা হচ্ছে। ৪৫ দিনের মধ্যে বিএসএফ-এর হাতে সমস্ত প্রয়োজনীয় জমি তুলে দেওয়ার জন্য মুখ্যসচিব এবং ভূমি ও রাজস্ব সচিবকে যৌথ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পূর্বতন সরকারের সদিচ্ছার অভাবের কারণেই এতদিন এই কাজ আটকে ছিল বলে বর্তমান শাসক দল মনে করছে। সরকারের এই তৎপরতায় সীমান্তবর্তী এলাকার সাধারণ বাসিন্দাদের মনে দীর্ঘদিনের নিরাপত্তাহীনতা কেটে স্বস্তির হাওয়া ফিরেছে।
এক ঝলকে
- অনুপ্রবেশ রুখতে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার জন্য বিএসএফ-কে ৪৫ দিনের মধ্যে জমি হস্তান্তরের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
- মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর রবিবারই উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ সীমান্তে কাঁটাতারের জন্য নির্দিষ্ট জমি পরিদর্শনে যান মন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়া।
- জমি হস্তান্তর প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে মুখ্যসচিব এবং ভূমি ও রাজস্ব সচিবকে যৌথ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
- সরকারের এই সীমান্ত সুরক্ষা নীতি ও প্রশাসনিক তৎপরতায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দারা।
