গণনার আগে ফের লড়াই! কড়া নিরাপত্তায় মগরাহাট ও ডায়মন্ড হারবারের ১৫ বুথে পুনর্নির্বাচন

গণনার আগে ফের লড়াই! কড়া নিরাপত্তায় মগরাহাট ও ডায়মন্ড হারবারের ১৫ বুথে পুনর্নির্বাচন

আগামী ৪ মে রাজ্যের হাইভোল্টেজ নির্বাচনের ফলাফল। তার ঠিক ৪৮ ঘণ্টা আগে দক্ষিণ ২৪ পরগনার দুই গুরুত্বপূর্ণ বিধানসভা কেন্দ্র—মগরাহাট পশ্চিম এবং ডায়মন্ড হারবারের মোট ১৫টি বুথে শুরু হলো পুনর্নির্বাচন। গত ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোটের দিন এই বুথগুলোতে ইভিএমে কারচুপি, স্টিকার লাগানো এবং ছাপ্পা ভোটের ভুরি ভুরি অভিযোগ ওঠায় নির্বাচন কমিশন আজ, ২ মে পুনরায় ভোটগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

কেন এই পুনর্নির্বাচন?

রিটার্নিং অফিসার (RO) এবং পর্যবেক্ষকদের রিপোর্টের ভিত্তিতে কমিশন ‘জনপ্রতিনিধিত্ব আইন ১৯৫১’-এর ৫৮(২) ধারা অনুযায়ী ২৯ এপ্রিলের ভোট বাতিল ঘোষণা করেছে। সকাল ৭টা থেকে শুরু হওয়া এই প্রক্রিয়া চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত।

পুনর্নির্বাচন হওয়া বুথগুলোর তালিকা একনজরে:

১৪২-মগরাহাট পশ্চিম (১১টি বুথ):

  • ঘোলা নয়াপাড়া গার্লস হাই মাদ্রাসা (রুম ২)
  • একতারা মালয়া প্রাথমিক বিদ্যালয় (রুম ১ ও ২)
  • একতারা মালয়া ধোড়া প্রাথমিক বিদ্যালয় (রুম ১)
  • বাহিরপুয়া কুরকুরিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয় (রুম ১, ২, ৩)
  • উত্তর ইয়ারপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় (রুম ২)
  • নজরা প্রাথমিক বিদ্যালয় (রুম ১ ও ২)
  • দেউলা প্রাথমিক বিদ্যালয় (রুম ১)

১৪৩-ডায়মন্ড হারবার (৪টি বুথ):

  • বাগদা জুনিয়র হাই স্কুল
  • চাঁদা প্রাথমিক বিদ্যালয় (রুম ২)
  • হরিদেবপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়
  • রায়নগর প্রাথমিক বিদ্যালয়

নিরাপত্তার বজ্রআঁটুনি

ভোট-পরবর্তী উত্তেজনা এবং আজকের এই পুনর্নির্বাচন ঘিরে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বুথগুলোতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিশাল ঘেরাটোপ তৈরি করা হয়েছে। প্রতিটি বুথে সিসিটিভি নজরদারির পাশাপাশি রাখা হয়েছে মাইক্রো-অবজারভার। কারচুপি রুখতে এবার ওয়েবকাস্টিংয়ের মাধ্যমে সরাসরি দিল্লির নির্বাচন কমিশনের অফিস থেকেও নজরদারি চালানো হচ্ছে।

প্রথম দফার ভোটদানের হারের নিরিখে আজকের এই ১৫টি বুথে ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি কতটা থাকে, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের। এই পুনর্নির্বাচনের প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরেই সমস্ত ইভিএম সিল করে স্ট্রং রুমে নিয়ে যাওয়া হবে।

প্রতিবেদক: স্বাধীন মানব দাস।

এই ১৫টি বুথের পুনর্নির্বাচন কি ৪ মে-র সামগ্রিক জয়-পরাজয়ের ব্যবধানে বড় কোনো প্রভাব ফেলতে পারে, নাকি এটি কেবলই কমিশনের নিয়ম রক্ষার একটি প্রক্রিয়া বলে আপনার মনে হয়?

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *