জ্বরের সঙ্গে বমি ও খিঁচুনি! চাঁদিপুরা ভাইরাসের থাবায় কীভাবে ছড়াচ্ছে মারাত্মক মস্তিষ্কের সংক্রমণ? – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
গুজরাটে ফের মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে প্রাণঘাতী চাঁদিপুরা ভাইরাস, যা নিয়ে চরম সতর্কবার্তা জারি করেছেন চিকিৎসকরা। বিশেষ করে ১৫ বছরের কম বয়সি শিশুরা এই সংক্রমণের প্রধান শিকার হচ্ছে। সাধারণ ভাইরাল জ্বরের উপসর্গ দিয়ে শুরু হলেও, এই ভাইরাস অত্যন্ত দ্রুত গতিতে শরীরে প্রভাব বিস্তার করে। আক্রান্ত হওয়ার মাত্র ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মস্তিষ্কে মারাত্মক প্রদাহ বা অ্যাকিউট এনসেফালাইটিস তৈরি হতে পারে। এর ফলে সামান্য জ্বর বা দুর্বলতাকে অবহেলা করা অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
মূলত সংক্রমিত স্যান্ডফ্লাই বা মাছির কামড়ের মাধ্যমে এই ভাইরাস ছড়ায় এবং এটি মানুষ থেকে মানুষে ছড়ায় না। এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে এখনও পর্যন্ত কোনো নির্দিষ্ট অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ বা টিকা আবিষ্কৃত হয়নি, ফলে দ্রুত নিবিড় পরিচর্যাই জীবন বাঁচানোর একমাত্র ভরসা। তাই জ্বরের পাশাপাশি যদি সন্তানের মধ্যে অস্বাভাবিক ঝিমুনি, বারবার বমি, খিঁচুনি বা জ্ঞান হারানোর মতো লক্ষণ দেখা দেয়, তবে এক মুহূর্তও দেরি না করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া উচিত। সময়মতো চিকিৎসা শুরু করতে পারলে এই মারাত্মক সংক্রমণ থেকে শিশুদের সুস্থ করে তোলার সম্ভাবনা বহুগুণ বেড়ে যায়।
