ধর্মশালায় রান পাহাড়ে আরসিবি, কোহলি ও ভেঙ্কটেশের ব্যাটে বিধ্বস্ত পাঞ্জাব – এবেলা
.jpeg.webp)
এবেলা ডেস্কঃ
প্লে-অফের লড়াইয়ে টিকে থাকার মরণ-বাঁচন ম্যাচে ধর্মশালার মাঠে দাপট দেখাল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। বিরাট কোহলির ধারাবাহিকতা, দেবদত্ত পাড়িক্কলের মারকুটে ব্যাটিং এবং শেষ দিকে ভেঙ্কটেশ আইয়ারের বিধ্বংসী ঝড়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে ২২২ রানের বিশাল স্কোর খাড়া করেছে আরসিবি। টুর্নামেন্টে টিকে থাকতে গেলে পাঞ্জাব কিংসকে এখন করতে হবে ২২৩ রান। শুরুতে ধীরগতির ব্যাটিং হলেও মাঝের ও ডেথ ওভারে পাঞ্জাবের বোলারদের নিয়ে রীতিমতো ছেলেখেলা করেন বেঙ্গালুরুর ব্যাটাররা।
কোহলি ও পাড়িক্কলের নিয়ন্ত্রিত ব্যাটিং
টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই জ্যাকব বেথেলের উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়েছিল আরসিবি। সেখান থেকে দলের হাল ধরেন অভিজ্ঞ বিরাট কোহলি ও তরুণ দেবদত্ত পাড়িক্কল। পাওয়ারপ্লের পর দুজনেই পাঞ্জাবের বোলারদের ওপর চড়াও হন। বিশেষ করে যুজবেন্দ্র চাহালের এক ওভারে ২১ রান তুলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয় আরসিবি। কোহলি ৩১ বলে নিজের আইপিএল ক্যারিয়ারের ৬৭তম হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। ৫৮ রান করে আউট হওয়ার আগে পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে আইপিএলে সর্বাধিক রানের নতুন রেকর্ডও গড়ে ফেলেন তিনি। অন্য প্রান্তে ২৫ বলে ৪৫ রানের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন পাড়িক্কল।
ভেঙ্কটেশ আইয়ারের বিধ্বংসী রূপ
কোহলি ও পাড়িক্কল আউট হওয়ার পর আরসিবির ইনিংসের মূল আকর্ষণ হয়ে ওঠেন ভেঙ্কটেশ আইয়ার। মরশুমের শুরুতে অফ-ফর্মের কারণে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল এই বাঁ-হাতি ব্যাটারকে। তবে আজ ধর্মশালায় মাত্র ৪০ বলে অপরাজিত ৭৩ রানের এক টর্নেডো ইনিংস খেলে সমালোচকদের যোগ্য জবাব দিলেন তিনি। ২৯ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করে লকি ফার্গুসন ও আর্শদীপ সিংদের মাঠের বাইরে পাঠান ভেঙ্কটেশ। শেষ ৫ ওভারে টিম ডেভিডকে সঙ্গে নিয়ে ৬৫ রান তোলেন তিনি, যা আরসিবিকে ২২২ রানের পাহাড়ে পৌঁছে দেয়।
পাঞ্জাবের বোলিং বিপর্যয় ও ম্যাচের সম্ভাব্য প্রভাব
টানা পাঁচ ম্যাচে হেরে খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে থাকা পাঞ্জাব কিংসের বোলিং ও ফিল্ডিং ব্যর্থতা আজ আবারও প্রকট হয়ে উঠেছে। মাঝের ওভারগুলোতে রান আটকানো এবং ক্যাচ মিসের পুরনো রোগ থেকে বের হতে পারেনি শ্রেয়স আইয়ারের দল। হরপ্রীত ব্রার দুটি উইকেট পেলেও চাহাল, ফার্গুসন ও আর্শদীপরা অকাতরে রান বিলিয়েছেন। এই বিশাল রান তাড়া করতে গিয়ে শুরু থেকেই অতিরিক্ত ঝুঁকি নিতে হবে পাঞ্জাবকে। ব্যর্থ হলে প্লে-অফের দৌড় থেকে বিদায় নেওয়ার পাশাপাশি পাঞ্জাবের হারের তালিকা আরও দীর্ঘায়িত হবে।
