নন্দীগ্রাম উপনির্বাচন: ‘কালীঘাট হোক বা নব তৃণমূল, লোক পাবে না!’, আগাম জয়ের হুঙ্কার শুভেন্দুর – এবেলা

নন্দীগ্রাম উপনির্বাচন: ‘কালীঘাট হোক বা নব তৃণমূল, লোক পাবে না!’, আগাম জয়ের হুঙ্কার শুভেন্দুর – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

নিজস্ব প্রতিবেদন: নন্দীগ্রামের উপনির্বাচন নিয়ে ফের একবার বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মেছেদায় সাংগঠনিক বৈঠক শেষে তিনি দাবি করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগামী ‘কালীঘাট তৃণমূল’ হোক বা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়পন্থী ‘নব তৃণমূল’—উপনির্বাচনে প্রার্থী খুঁজে পাওয়া তো দূর, লোক পাওয়ার মতো অবস্থাও তাদের নেই।

শুভেন্দুর আত্মবিশ্বাস: এদিন শুভেন্দু অধিকারী চরম আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জানান, গত বিধানসভা নির্বাচনের চেয়েও এবার অনেক বেশি ব্যবধানে নন্দীগ্রামে জয়ী হবেন বিজেপি প্রার্থী। তিনি বলেন, “২০২১ সালে আমি জয়ী হয়েছিলাম। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আমার জয়ের ব্যবধান বেড়েছে। আমি নিশ্চিত, এবার সেই ব্যবধান অন্তত ৫ গুণ বৃদ্ধি পাবে।”

পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি আরও দাবি করেন, ২০১৯ সালে বিজেপি পেয়েছিল ৩৭ শতাংশ ভোট, ২০২১-এ ৪৪ শতাংশ, ২০২৪-এ ৪৯ শতাংশ এবং বর্তমানে তা ৫৬ শতাংশে পৌঁছেছে। শুভেন্দুর মতে, তৃণমূল যে পুলিশ এবং আইপ্যাকের ওপর ভর করে টিকে ছিল, তারা এখন আর নেই। ফলে নন্দীগ্রামে বিজেপি ৭০ শতাংশ ভোট পাবে বলে তাঁর দৃঢ় বিশ্বাস।

প্রার্থী হতে অনীহা তৃণমূলে: তৃণমূলের অন্দরের ফাটল নিয়ে এদিন কটাক্ষ করতে ছাড়েননি শুভেন্দু। সূত্রের খবর, বিধানসভা ভোটে পরাজিত তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র কর এবং স্থানীয় নেতা শেখ সুফিয়ান—উভয়েই আসন্ন উপনির্বাচনে প্রার্থী হতে অনিচ্ছা প্রকাশ করেছেন। তৃণমূল নেতৃত্বের কাছে তারা সেই বার্তাও পৌঁছে দিয়েছেন বলে খবর।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার মুর্শিদাবাদের রেজিনগরেও শুভেন্দু অধিকারী বিজেপির জয়ের ডাক দিয়েছিলেন। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনে বিজেপিকে জয়ী করার পূর্ণ দায়িত্ব তাঁর একার। ২০৮ নম্বর সিটটি (নন্দীগ্রাম) নিশ্চিত করার চ্যালেঞ্জ নিয়ে তিনি এখন মরিয়া।

উল্লেখ্য: প্রতিবেদনে ‘মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী’ শব্দটি ছিল, যা সংশোধন করে সংবিধানে স্বীকৃত ‘বিরোধী দলনেতা’ বা ‘শুভেন্দু অধিকারী’ হিসেবে লেখা হয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *