ফলতায় ইভিএম কারচুপির অভিযোগে সরব শুভেন্দু, কমিশন দিল পুনর্নির্বাচনের ইঙ্গিত!

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফায় দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতায় ইভিএম মেশিনে কারচুপির অভিযোগ ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, বেশ কিছু বুথে বিজেপি প্রার্থীর নামের পাশের বোতামটি সেলোটেপ দিয়ে আটকে দেওয়া হয়েছিল, যাতে ভোটাররা পদ্ম চিহ্নে ভোট না দিতে পারেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাসক ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে নতুন করে সংঘাত শুরু হয়েছে।
শুভেন্দুর হুঁশিয়ারি ও কেন্দ্রীয় পদক্ষেপ
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন রাজ্যের বিদায়ী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি স্পষ্ট জানান, বিষয়টি নিয়ে তিনি ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে কথা বলেছেন। শুভেন্দুর দাবি, তৃণমূল কংগ্রেস ভোট প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটানোর চেষ্টা করছে এবং দল আইনি ও রাজনৈতিকভাবে এর শেষ দেখে ছাড়বে। বিজেপি নেতৃত্ব পুরো পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
কমিশনের সিদ্ধান্ত ও প্রভাব
পরিস্থিতি সামাল দিতে তড়িৎঘড়ি পদক্ষেপ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) জানিয়েছেন, যেখানে ইভিএমের বোতাম টেপা বা আটকে রাখার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া যাবে, সেখানে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে পুনর্নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হবে। প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থানে স্পষ্ট যে, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটদান নিশ্চিত করতে কোনো আপস করতে রাজি নয় কমিশন। ফলতার এই ঘটনা ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত হওয়ায় তা রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এক ঝলকে
- ফলতার একাধিক বুথে বিজেপি প্রার্থীর নামের ওপর টেপ লাগিয়ে কারচুপির অভিযোগ।
- কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে গোটা পরিস্থিতির রিপোর্ট দিলেন শুভেন্দু অধিকারী।
- অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট বুথগুলোতে পুনর্নির্বাচনের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
- দ্বিতীয় দফার ভোটে এই ইভিএম বিভ্রাটকে কেন্দ্র করে শাসক-বিরোধী তরজা তুঙ্গে।
