বইয়ের পাতায় বন্দি স্বাধীনতা সংগ্রামের রক্তাক্ত ইতিহাস! দুবরাজপুরে স্মারক ফলকের দাবিতে তুঙ্গে জল্পনা – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
স্বাধীনতার লড়াইয়ে বীরভূমের দুবরাজপুরের বীরত্বপূর্ণ অবদান থাকলেও আজও তা রয়ে গেছে অন্তরালে। ১৯৪২ সালের ‘ভারত ছাড়ো’ আন্দোলনের জেরে দুবরাজপুর মুন্সেফ আদালত ও ডাকঘর চত্বরে ব্রিটিশ বিরোধী ক্ষোভের আগুন জ্বলে উঠেছিল। আন্দোলনকারীদের মিছিল থেকে সরকারি নথি ও আসবাবপত্র ভাঙচুরের ঘটনায় তোলপাড় হয় এলাকা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নামানো হয়েছিল সামরিক বাহিনীও। পরে ‘দুবরাজপুর হাঙ্গামা’ মামলায় বহু মানুষকে গ্রেপ্তার ও জরিমানা করা হয়। ইতিহাসবিদ পার্থশঙ্খ মজুমদারের মতে, সৌরেন্দ্র নারায়ণ সেন ও শ্রীপতি পাতরের নেতৃত্বে এই ঐতিহাসিক আন্দোলন বাংলার স্বাধীনতা সংগ্রামের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
তবে আক্ষেপের বিষয়, ব্রিটিশ আমলের এই গৌরবময় ঘটনার সাক্ষী হিসেবে দুবরাজপুরে নেই কোনও দৃশ্যমান স্মারক। স্থানীয় বাসিন্দাদের জোরালো দাবি, এই ইতিহাস শুধু পাঠ্যপুস্তক বা নথিতে সীমাবদ্ধ না রেখে জনসমক্ষে আনা হোক। আদালত চত্বর বা শহরের নির্দিষ্ট স্থানে একটি স্মৃতিফলক বা স্মৃতিসৌধ নির্মাণের দাবি উঠেছে। তাঁদের মতে, এই উদ্যোগ নেওয়া হলে একদিকে যেমন ইতিহাস সংরক্ষিত হবে, তেমনই আগামী প্রজন্মও জানতে পারবে দুবরাজপুরের বীরত্বগাথা।
