বাংলার মসনদে কার রাজ্যাভিষেক! বুথফেরত সমীক্ষায় হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পূর্বাভাসে চড়ছে উত্তেজনার পারদ – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোট মিটতেই রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড় শুরু হয়েছে এক্সিট পোল বা বুথফেরত সমীক্ষার রিপোর্ট ঘিরে। বিভিন্ন সমীক্ষক সংস্থা রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের আসন সংখ্যা হ্রাসের ইঙ্গিত দিতেই সরব হয়েছে ঘাসফুল শিবির। বিশেষত ম্যাট্রিক্স ও পি-মার্কের মতো সংস্থাগুলি বিজেপিকে সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে এগিয়ে রাখায় রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র বাদানুবাদ। যদিও ‘পিপলস পালস’-এর সমীক্ষা বিপরীত সুর গেয়ে ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা জারি রেখেছে।
সমীক্ষাকে গুরুত্বহীন ঘোষণা করে মোদীকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ
বুথফেরত সমীক্ষার এই পূর্বাভাসকে সরাসরি নস্যাৎ করে দিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, সেবারও অধিকাংশ সমীক্ষা বিজেপিকে এগিয়ে রাখলেও বাস্তব ফলাফল ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। তৃণমূল ২১৩টি আসনে জয়ী হয়ে ইতিহাস গড়েছিল। এবারও একই পরিণতির দাবি করে ডেরেক সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়েছেন। তাঁর সাফ বার্তা, ৪ মে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জয়ী হলে নৈতিক পরাজয় স্বীকার করে প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে।
নির্বাচন পরবর্তী নিরাপত্তা ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর অবস্থান
ভোট মিটলেও অশান্তি রুখতে রাজ্য থেকে এখনই সরছে না কেন্দ্রীয় বাহিনী। নির্বাচন কমিশন ও সিআরপিএফ জানিয়েছে, শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ৫০০ কো ম্পা নি কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী (CAPF) আপাতত পশ্চিমবঙ্গেই মোতায়েন থাকবে। এর মধ্যে ২০০ কো ম্পা নি সিআরপিএফ এবং ১৫০ কো ম্পা নি বিএসএফ-এর পাশাপাশি সিআইএসএফ, আইটিবিপি ও এসএসবি জওয়ানরা থাকছেন। মূলত স্ট্রং রুমের নিরাপত্তা এবং স্পর্শকাতর এলাকায় রুট মার্চ জারি রাখাই এই বাহিনীর লক্ষ্য।
এক ঝলকে
- বুথফেরত সমীক্ষায় বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে আসন সংখ্যার পূর্বাভাস নিয়ে তীব্র মতপার্থক্য দেখা গেছে।
- ২০২১ সালের উদাহরণের কথা মাথায় রেখে এক্সিট পোলের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস।
- ৪ মে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জয়ী হলে প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেছেন তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন।
- ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে রাজ্যে ৫০০ কো ম্পা নি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
