ব্যারিকেড ভেঙে হুড়োহুড়ি, কটকে ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচের টিকিট ঘিরে চরম বিশৃঙ্খলা! – এবেলা

ব্যারিকেড ভেঙে হুড়োহুড়ি, কটকে ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচের টিকিট ঘিরে চরম বিশৃঙ্খলা! – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

ভারতের ক্রিকেট উন্মাদনা আরও একবার রূপ নিল চরম বিশৃঙ্খলায়। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে আসন্ন টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচটিকে কেন্দ্র করে ওড়িশার কটকের বরাবাটি স্টেডিয়ামে টিকিটপ্রত্যাশীদের উপচে পড়া ভিড় সামলাতে রীতিমতো হিমশিম খেল প্রশাসন। টিকিট কাউন্টারের সামনে তৈরি হওয়া আকস্মিক হুড়োহুড়িতে একপর্যায়ে পদপিষ্ট হওয়ার মতো বিপজ্জনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তবে পুলিশ ও নিরাপত্তাকর্মীদের দ্রুত হস্তক্ষেপে বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছেন ক্রীড়ামোদিরা।

বর্তমানে ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে ওয়ানডে সিরিজ চললেও ক্রিকেটপ্রেমীদের নজর এখন কটকের প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচের দিকে। দীর্ঘদিন পর ঘরের মাঠে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচ দেখার সুযোগ হাতছাড়া করতে চাননি স্থানীয় সমর্থকরা। শুক্রবার সকাল থেকেই বরাবাটি স্টেডিয়ামের বাইরে টিকিটপ্রত্যাশীদের কিলোমিটার জুড়ে দীর্ঘ লাইন চোখে পড়ে। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভিড় ও টিকিট পাওয়ার তাগিদ এতটাই বেড়ে যায় যে, লাইনের শৃঙ্খলা ভেঙে পড়ে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, হুড়োহুড়ির জেরে ব্যারিকেড ভেঙে মানুষ সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। শুরু হয় তীব্র চিৎকার ও বিশৃঙ্খলা, যা একপর্যায়ে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল।

উন্মাদনার কারণ ও অব্যবস্থার প্রভাব

বরাবাটি স্টেডিয়ামে বরাবরই ক্রিকেটপ্রেমীদের বাড়তি আবেগ লক্ষ্য করা যায়। এর আগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওয়ানডে ম্যাচের পর এটিই এই ভেন্যুর পরবর্তী বড় ম্যাচ। স্বাভাবিকভাবেই সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বাধীন টি-টোয়েন্টি দলের লড়াই চাক্ষুষ করতে টিকিটের চাহিদা আকাশচুম্বী ছিল। ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের মতে, চাহিদার তুলনায় অফলাইন কাউন্টারে সীমিত টিকিট এবং ভিড় ব্যবস্থাপনায় দূরদর্শিতার অভাবই এই বিশৃঙ্খলার মূল কারণ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে লাঠি হাতে সক্রিয় হতে হয় এবং কঠোর পাহারার মাধ্যমে পুনরায় লাইন সোজা করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়। এই ঘটনাটি আগামী দিনের ম্যাচগুলোতে অফলাইন টিকিট বিক্রির ক্ষেত্রে স্টেডিয়াম কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন তুলে দিল।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *