ভোটদানে বাধা দিলেই কঠোর ব্যবস্থা, শেষ দফায় রেকর্ড গড়ে নতুন ইতিহাস লিখতে চায় কমিশন – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
রাজ্যে দ্বিতীয় তথা শেষ দফার নির্বাচনকে সম্পূর্ণ অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে নজিরবিহীন তৎপরতা শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। রবিবার কাকদ্বীপ মহকুমাশাসকের দপ্তরে উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠক শেষে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজ কুমার আগরওয়াল সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ভোটদানে কোনো প্রকার বাধাদান বা অশান্তি বরদাস্ত করা হবে না। জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের উপস্থিতিতে এই বৈঠকে ভোটারদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রযুক্তি ও নিরাপত্তার নিশ্ছিদ্র বেষ্টনী
এবারের নির্বাচনে কারচুপি রুখতে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করছে কমিশন। প্রতিটি বুথে সিসিটিভি ক্যামেরা এবং লাইভ ফিডের ব্যবস্থা থাকছে, যার মাধ্যমে আধিকারিকরা দশ মিনিট আগের দৃশ্যও পরীক্ষা করতে পারবেন। এছাড়া বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে ভোটার কার্ড ছাড়া প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। এলাকায় বাইক নিয়ে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করা হলে দ্রুত আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
রেকর্ড ভোটদানের লক্ষ্যমাত্রা
মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক কেবল শান্তি বজায় রাখতেই নয়, বরং ভোটদানের হারেও রেকর্ড গড়তে ইচ্ছুক। তিনি জানান, কাকদ্বীপসহ সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে যাতে ৯০ শতাংশের বেশি ভোট পড়ে, সেই লক্ষ্যে প্রশাসনকে কাজ করতে হবে। প্রথম দফার ভোটদানের হারকে ছাপিয়ে যাওয়ার একটি সুস্থ প্রতিযোগিতা তৈরি করাই এখন কমিশনের মূল উদ্দেশ্য। পাড়ায় পাড়ায় বাইক বাহিনীতে জওয়ানদের টহল এবং বুথে যাওয়ার রাস্তায় অতিরিক্ত নজরদারি ভোটারদের মধ্যে আস্থা ফেরাবে বলে মনে করা হচ্ছে।
এক ঝলকে
- ভোটদানে যেকোনো বাধা বা অশান্তি রুখতে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন।
- প্রতিটি বুথে সিসিটিভি ও লাইভ ফিডের মাধ্যমে কড়া নজরদারি চালানো হবে।
- কাকদ্বীপ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় ৯০ শতাংশের বেশি ভোটদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- অশান্তি রুখতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা বাইকে করে অলিগলিতে টহল দেবেন।
