ভোটের মহাপ্রলয়ে অগ্নিগর্ভ দ্বিতীয় দফা! সকাল থেকেই বঙ্গে হাইভোল্টেজ লড়াইয়ের টানটান উত্তেজনা – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ভাগ্যনির্ধারণী দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে রাজ্যের সাতটি জেলার ১৪২টি আসনে। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই দফায় রাজনৈতিক হেভিওয়েটদের ভাগ্য ইভিএম বন্দি হতে চলেছে। নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সকাল ৯টা পর্যন্ত রাজ্যে গড়ে ১৮.৩৯ শতাংশ ভোটদান সম্পন্ন হয়েছে। প্রথম দফার তুলনায় সকালের ভোটদানের হার সামান্য কম হলেও, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের লম্বা লাইন দেখা যাচ্ছে।
ভবানীপুরে হেভিওয়েট সংঘাত ও নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ
এই দফার প্রধান আকর্ষণ দক্ষিণ কলকাতার ভবানীপুর কেন্দ্র, যেখানে সরাসরি লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এই লড়াইয়ের ফল রাজ্যের সামগ্রিক রাজনীতির গতিপথ নির্ধারণ করে দিতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। অন্যদিকে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড় ও ক্যানিং পূর্ব কেন্দ্রকে ঘিরেও চড়ছে উত্তেজনার পারদ। আইএসএফ প্রার্থী নওশাদ সিদ্দিকি এবং দলবদলু নেতা আরাবুল ইসলামের নতুন রাজনৈতিক অবস্থান শাসক শিবিরের জন্য বিশেষ চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।
ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে তরুণ ও নতুন ভোটাররা
এবারের নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো ভোটারদের পরিসংখ্যান। মোট ৩ কোটি ২১ লক্ষের বেশি ভোটারের মধ্যে ৪ লক্ষ ১২ হাজার ৬৬৮ জন তরুণ ভোটার যারা প্রথমবারের মতো ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। এই নতুন প্রজন্মের ভোট এবং ৩ হাজারেরও বেশি শতায়ু ভোটারের উপস্থিতি গণতান্ত্রিক উৎসবে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। ২০২১ সালের নির্বাচনে বিজেপি এই অঞ্চলের বড় অংশে বিশেষ সুবিধা করতে না পারলেও, এবার হাওড়া, কলকাতা ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার মতো তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটিতে ফাটল ধরানোই গেরুয়া শিবিরের প্রধান লক্ষ্য।
এক ঝলকে
- দ্বিতীয় দফায় রাজ্যের ৭টি জেলার ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ চলছে এবং সকাল ৯টা পর্যন্ত ১৮.৩৯ শতাংশ ভোট পড়েছে।
- ভবানীপুর কেন্দ্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারীর মুখোমুখি লড়াই গোটা দেশের নজরে রয়েছে।
- ৪ লক্ষেরও বেশি নতুন তরুণ ভোটারের সিদ্ধান্ত এবারের নির্বাচনের ফলাফল নির্ধারণে বড় ভূমিকা নিতে পারে।
- ভাঙড় ও ক্যানিং পূর্বে আইএসএফ-এর ক্রমবর্ধমান প্রভাব শাসক দলের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
