ভোটের মুখে বড় সিদ্ধান্ত! আরও ছ’মাস রাজ্য পুলিশের শীর্ষ পদে থাকছেন ডিজি সিদ্ধনাথ গুপ্ত – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
রাজ্যের দ্বিতীয় দফার ভোটের ঠিক প্রাক্কালে বড়সড় প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের কথা জানাল দিল্লি। রাজ্য পুলিশের বর্তমান ডিরেক্টর জেনারেল (ডিজি) সিদ্ধনাথ গুপ্তের চাকরির মেয়াদ আরও ছ’মাস বৃদ্ধির অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। আগামী ৩০ এপ্রিল তাঁর অবসরের কথা থাকলেও, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নিয়োগ কমিটির সম্মতিতে আপাতত অক্টোবর পর্যন্ত দায়িত্ব সামলাবেন ১৯৯২ ব্যাচের এই আইপিএস আধিকারিক। সোমবার রাজ্যের মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিওয়ালাকে চিঠি পাঠিয়ে এই সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
প্রশাসনিক ধারাবাহিকতায় কেন্দ্রের সবুজ সংকেত
নির্বাচন নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর কমিশন যখন দফায় দফায় পুলিশ ও প্রশাসনে রদবদল ঘটিয়েছে, তখন সিদ্ধনাথ গুপ্তের মেয়াদ বৃদ্ধির সিদ্ধান্তকে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ১৯৫৮ সালের ‘অল ইন্ডিয়া সার্ভিস’ (ডেথ কাম রিটায়ারমেন্ট বেনিফিটস) আইন অনুযায়ী জনস্বার্থে এই পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে কেন্দ্রীয় বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। মূলত ভোটের মতো সংবেদনশীল সময়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ধারাবাহিকতা বজায় রাখতেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এই প্রস্তাব দিয়েছিল, যাতে সম্মতি দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন নিয়োগ কমিটি।
নির্বাচন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রেক্ষাপট
রাজ্যে প্রথম দফার ভোট শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হওয়ার পেছনে পুলিশের সক্রিয় ভূমিকা ছিল বলে কমিশনের পক্ষ থেকে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। ২৩ এপ্রিলের ভোটে বড় কোনো অশান্তি বা প্রাণহানির ঘটনা ছাড়াই উচ্চহারে ভোটদান রেকর্ড করা হয়েছে। দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে পুলিশের শীর্ষ নেতৃত্বে কোনো বদল না এনে সিদ্ধনাথের ওপর আস্থা রাখা নিশ্চিতভাবেই প্রশাসনের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে। প্রথম দফায় ১৬টি জেলার কোথাও পুনর্নির্বাচনের প্রয়োজন না হওয়া রাজ্য পুলিশের পেশাদারিত্বেরই জয় বলে মনে করা হচ্ছে।
এক ঝলকে
- রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধনাথ গুপ্তের চাকরির মেয়াদ ছয় মাস বৃদ্ধি করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।
- আগামী ৩০ এপ্রিল তাঁর অবসর নেওয়ার কথা ছিল, যা এখন বৃদ্ধি পেয়ে অক্টোবর পর্যন্ত স্থায়ী হবে।
- কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নিয়োগ কমিটি জনস্বার্থে আইপিএস ক্যাডার রুল মেনে এই প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছে।
- দ্বিতীয় দফার ভোটের ঠিক আগে এই সিদ্ধান্তের ফলে পুলিশি প্রশাসনের শীর্ষ স্তরে স্থায়িত্ব বজায় থাকল।
