ভোট মিটলেও সরছে না পাহারা! হিংসা রুখতে বাংলায় মোতায়েন থাকছে ৭০০ কো ম্পা নি কেন্দ্রীয় বাহিনী

ভোট মিটলেও সরছে না পাহারা! হিংসা রুখতে বাংলায় মোতায়েন থাকছে ৭০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী

বাংলার নির্বাচনে এবার হিংসা ও অশান্তির পুরোনো ছবি বদলে গিয়েছে। বুধবার দ্বিতীয় দফার ভোটে ৭ জেলার ১৪২টি আসনে প্রায় ৯০ শতাংশ ভোট পড়লেও বড় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। তবে অতীত অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে কমিশন এবার বাড়তি সতর্ক। গত নির্বাচনের পর রাজ্যজুড়ে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল, তার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে ভোট মিটে যাওয়ার পরও ৭০০ কো ম্পা নি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রাখার নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

শান্তি রক্ষায় কমিশনের কঠোর অবস্থান

কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই বাহিনী রাজ্যেই অবস্থান করবে। মূলত ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ। এবারের নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি রাজ্য পুলিশকেও অত্যন্ত সক্রিয় ভূমিকায় দেখা গিয়েছে। বিক্ষিপ্ত কিছু ঘটনা ঘটলেও তা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। জনমনে আস্থার পরিবেশ বজায় রাখাই এখন কমিশনের প্রধান লক্ষ্য।

ভোটাধিকার নিশ্চিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের তৎপরতা

দ্বিতীয় দফার ভোটের শেষ মুহূর্তে বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তকে ফোন করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা প্রত্যেক ভোটার যাতে নিজের অধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেই নির্দেশ দেন তিনি। সন্ধ্যা ৬টার পর ভোট দেওয়া যাবে না বলে ছড়ানো কিছু গুজব রুখতে কমিশন স্পষ্ট জানায়, নির্ধারিত সময়ের পর লাইনে ভোটার থাকলে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে। কমিশনের এই সক্রিয়তা ও বাহিনীর উপস্থিতি বাংলার রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি বড় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এক ঝলকে

  • ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে বাংলায় রেখে দেওয়া হচ্ছে ৭০০ কো ম্পা নি কেন্দ্রীয় বাহিনী।
  • দ্বিতীয় দফার ভোটে ৭ জেলায় প্রায় ৯০ শতাংশ রেকর্ড ভোট পড়েছে, যা ছিল কার্যত শান্তিপূর্ণ।
  • পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এই বাহিনী মোতায়েন থাকবে।
  • সন্ধ্যা ৬টার পর ভোটাররা লাইনে থাকলে তাদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার কড়া নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *