মহিলা বিল পাসে দরকার আর মাত্র ১১! বাদল অধিবেশনে মোদী-শাহের ‘মাস্টারস্ট্রোক’? – এবেলা

মহিলা বিল পাসে দরকার আর মাত্র ১১! বাদল অধিবেশনে মোদী-শাহের ‘মাস্টারস্ট্রোক’? – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

গত অধিবেশনে ব্যর্থ হলেও, আসন্ন বাদল অধিবেশনে বিতর্কিত মহিলা সংরক্ষণ বিল পাসে আটঘাট বেঁধে নামছে নরেন্দ্র মোদীর সরকার। দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা বা ম্যাজিক ফিগার ছুঁতে ঘুঁটি সাজাচ্ছেন নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহ।

বিরোধীদের আপত্তি ঠিক কোথায়? কংগ্রেসের রাহুল বা প্রিয়াঙ্কা গান্ধী কিংবা ডিএমকে-র মতো দলগুলির মহিলা সংরক্ষণ নিয়ে কোনও আপত্তি নেই। তাদের ঘোর আপত্তি এই বিলের আড়ালে লুকিয়ে থাকা ‘আসন পুনর্বিন্যাস’ বা ডিলিমিটেশন নিয়ে।

  • আসন বৃদ্ধি: লোকসভার বর্তমান ৫৪৩টি আসন পুনর্বিন্যাসের পর বেড়ে ৮১৬টি হবে।
  • বিজেপির ফায়দা: বিরোধীদের দাবি, এর ফলে হিন্দি বলয়ে আসন সংখ্যা ব্যাপকভাবে বাড়বে, যেখানে বিজেপির আধিপত্য বেশি।
  • দক্ষিণ ও পূর্ব ভারতের বঞ্চনা: দক্ষিণ ও পূর্ব ভারতে, যেখানে বিরোধীরা শক্তিশালী, সেখানে আনুপাতিক হারে জনপ্রতিনিধি কমবে বলে আশঙ্কা বিজেপি-বিরোধী দলগুলির।

বিজেপির নতুন সমীকরণ ও ম্যাজিক ফিগার ৩৬০ সংবিধান সংশোধনের (১৩১ তম) জন্য লোকসভায় দুই-তৃতীয়াংশ বা ৩৬০ জন সাংসদের সমর্থন প্রয়োজন। গতবার ব্যর্থ হলেও এবার অঙ্কের হিসেবে অনেকটাই সুবিধাজনক জায়গায় এনডিএ।

  • তৃণমূলের ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদ এনডিএ-কে সমর্থনের ঘোষণা করেছেন।
  • শিবসেনা (উদ্ধব) শিবিরের বেশ কয়েকজন সাংসদ এনডিএ-র দিকে ঝুঁকেছেন।
  • সবচেয়ে বড় চমক, শর্তসাপেক্ষে পাশে থাকতে পারে স্ট্যালিনের ডিএমকে-ও। তাদের শর্ত, আসন পুনর্বিন্যাস হলে প্রতিটি রাজ্যেই লোকসভার আসন ৫০ শতাংশ করে বাড়াতে হবে।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, শরদ পাওয়ারের এনসিপি, ডিএমকে, উদ্ধব শিবির ও তৃণমূলের ২০ জন বিদ্রোহীকে ধরলে এনডিএ-র পক্ষে সমর্থন দাঁড়াচ্ছে ৩৪৯-এ। অর্থাৎ, ম্যাজিক ফিগার ৩৬০ ছুঁতে দরকার আর মাত্র ১১ জনের সমর্থন। আসন্ন বাদল অধিবেশনে এই বাকি ১১ জনের সমর্থন জোগাড় করে বিল পাস করাতে রীতিমতো কোমর বেঁধে ময়দানে নেমে পড়েছেন মোদী ও শাহ।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *