‘মাছ চোর’ গানে তোলপাড় ভাঙড়! নওশাদকে নাম না করে ‘ধর্ষক-জঙ্গি’ তোপ শওকতের

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের শেষ লগ্নে ভাঙড়ের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে একটি প্যারোডি গান। ‘মাছ চোর, মাছ চোর, শওকত তো মাছ চোর’— এই কথা সংবলিত গানটি বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক ভাইরাল। বিষয়টি নিয়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভাঙড়ের তৃণমূল প্রার্থী শওকত মোল্লা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাসক ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে কাদা ছোড়াছুড়ি এখন তুঙ্গে, যা নির্বাচনের পরিবেশকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।
ব্যক্তিগত আক্রমণ ও রাজনৈতিক সংঘাত
এই গানটির নেপথ্যে ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট (আইএসএফ) জড়িত বলে দাবি করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। যদিও সরাসরি নাম নেননি, তবে শওকত মোল্লা এই ঘটনার জন্য আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকিকে কঠোর ভাষায় আক্রমণ করেছেন। তিনি এই ধরনের প্রচারকে ‘নিচু মানসিকতার পরিচয়’ হিসেবে অভিহিত করে জানান যে, বিরোধীরা হতাশ হয়েই এমন নোংরামির আশ্রয় নিচ্ছে। অন্যদিকে, নওশাদ সিদ্দিকি জনসভা থেকে কর্মীদের এই গান না বাজানোর অনুরোধ জানালেও গানটির জনপ্রিয়তা ও প্রচার কোনোটিই কমেনি।
প্রভাব ও পরবর্তী পরিস্থিতি
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের ঠিক আগে এই ধরনের ব্যঙ্গাত্মক গান ভোটারদের ওপর মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব ফেলতে পারে। শওকত মোল্লা হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছেন যে, আগামী ৪ মে নির্বাচনী ফলের মাধ্যমেই এই অপমানের যোগ্য জবাব দেওয়া হবে। ব্যক্তিগত কুৎসা ও রাজনীতির এই মিশেল জনমানসে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে। নির্বাচন কমিশন এখনো এই বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ না নিলেও, এই ‘সুর-যুদ্ধ’ ভাঙড়ের ভোটের ময়দানে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
এক ঝলকে
৪ মে নির্বাচনী ফলাফল প্রকাশের দিন এই অপমানের জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শওকত।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ‘মাছ চোর’ গান নিয়ে ভাঙড়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে।
তৃণমূল প্রার্থী শওকত মোল্লা এই গানের জন্য নাম না করে নওশাদ সিদ্দিকিকে দায়ী করেছেন।
আইএসএফ নেতা কর্মীদের গানটি গাইতে নিষেধ করলেও এর প্রচার থামছে না।
