মানচিত্র থেকে কি মুছে গেল ‘হরমোজ’? প্রণালীর নতুন নাম দিলেন ট্রাম্প— ‘স্ট্রেট অফ ট্রাম্প’!

পারস্য উপসাগরের উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝে এবার নতুন বিতর্ক উসকে দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘হোরমুজ প্রণালী’র নাম বদলে নিজের নামে অর্থাৎ ‘স্ট্রেট অফ ট্রাম্প’ (Strait Of Trump) হিসেবে একটি মানচিত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছেন তিনি। এই ঘটনায় বিশ্ব রাজনীতিতে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে এবং মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে ওয়াশিংটনের আগ্রাসী মনোভাব নতুন করে স্পষ্ট হয়েছে।
পরমাণু অস্ত্র ও নৌ-অবরোধের চাপ
ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকার চলমান নৌ-অবরোধকে একটি ‘অসাধারণ রণকৌশল’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, তেহরানকে তাদের পরমাণু উচ্চাকাঙ্ক্ষা ত্যাগ করতে হবে, অন্যথায় কোনো সমঝোতা সম্ভব নয়। মার্কিন নৌবাহিনীর শক্তিমত্তা প্রদর্শনের মাধ্যমে ইরানকে কোণঠাসা করার এই প্রক্রিয়া বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ এবং আন্তর্জাতিক নৌ-বাণিজ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সামরিক অভিযানের প্রচ্ছন্ন ইঙ্গিত
শুধু অর্থনৈতিক বা নৌ-অবরোধেই ক্ষান্ত নয় হোয়াইট হাউস। সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM) ইতিমধ্যে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো লক্ষ্য করে ‘ছোট কিন্তু শক্তিশালী’ হামলার পরিকল্পনা সাজিয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সূত্রে জানা গেছে। ট্রাম্পের মতে, অবরোধ সরাসরি বোমাবর্ষণের চেয়েও বেশি কার্যকর, তবে আলোচনার টেবিলে ইরানকে বাধ্য করতে তিনি সামরিক পদক্ষেপের সবুজ সংকেত দিতেও দ্বিধাবোধ করবেন না।
এক ঝলকে
- হোরমুজ প্রণালীর নাম বদলে ‘স্ট্রেট অফ ট্রাম্প’ সম্বলিত মানচিত্র শেয়ার করে বিতর্ক তৈরি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
- ইরানের ওপর মার্কিন নৌ-অবরোধ কঠোর করার পাশাপাশি পরমাণু কর্মসূচি বন্ধের কড়া হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
- আলোচনা গতিশীল করতে ইরানের ওপর সীমিত পরিসরে সামরিক হামলার ছক কষছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড।
- এই অবরোধের ফলে ইরানের নৌ-চলাচল ও পণ্য পরিবহন ব্যবস্থা মারাত্মক সংকটের মুখে পড়েছে।
