সন্তান জন্মের পরেও বজায় থাক দাম্পত্য উষ্ণতা, বদলে ফেলুন রোজকার এই কয়েকটি অভ্যাস – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
অনেকেই মনে করেন প্রথম কয়েক বছর দাম্পত্যের উষ্ণতা বজায় থাকলেও সন্তান জন্মের পর সেই রসায়নে ভাটা পড়ে। তখন এক বিছানায় থেকেও সময়ের অভাবে একে অপরের কাছে আসা হয় না স্বামী-স্ত্রীর। তবে বিরাট-অনুষ্কা, রণবীর-দীপিকা কিংবা নিক-প্রিয়াঙ্কার মতো তারকা দম্পতিরা প্রমাণ করেছেন যে সন্তান বড় করার মাঝেও দাম্পত্যের প্রেম অটুট রাখা সম্ভব। সহজ কয়েকটি পন্থা অবলম্বন করলেই বদলে যেতে পারে সম্পর্কের সমীকরণ।
দায়িত্ব ভাগাভাগি ও মানসিক সংযোগ
বর্তমান যুগে অধিকাংশ পরিবারই পরমাণু বা একক। কর্মজীবী মায়েদের ক্ষেত্রে একা হাতে সন্তান সামলানো অত্যন্ত কঠিন, যা মানসিক উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এই পরিস্থিতি দাম্পত্য কলহ তৈরি করতে পারে। তাই সমাজিক প্রাচীন ধারণা ভেঙে স্বামীদের উচিত সন্তানের ডায়াপার বদলানো, খাওয়ানো বা ঘুম পাড়ানোর মতো কাজে স্ত্রীর পাশে দাঁড়ানো। একসঙ্গে দায়িত্ব ভাগ করে নিলে সম্পর্কের শীতলতা দ্রুত দূর হয়। পাশাপাশি, অফিস থেকে ফিরে মোবাইল স্ক্রিনে মগ্ন না থেকে স্ত্রীর সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা ও তাঁর কাজের প্রশংসা করা জরুরি, যা সঙ্গিনীকে চাপমুক্ত করতে সাহায্য করে।
ছোট মুহূর্ত ও শারীরিক সান্নিধ্যের গুরুত্ব
সন্তান আসার পর আগের মতো দীর্ঘ সময়ের জন্য মুভি ডেট বা রেস্তরাঁয় যাওয়া সম্ভব না হলেও ছোট ছোট মুহূর্ত তৈরি করা জরুরি। চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে অন্তত ৩০ মিনিট নিজেদের জন্য রাখা দরকার, যেখানে সংসার বা সন্তানের আলোচনা থাকবে না। সারাদিনের ক্লান্তির পর হয়তো নিয়মিত শারীরিক সম্পর্ক সম্ভব না-ও হতে পারে, তবে জড়িয়ে ধরা, চুম্বন বা স্রেফ হাতের ওপর হাত রেখে বসার মতো ছোট ছোট অভ্যাসগুলো পারস্পরিক বন্ধন শক্তপোক্ত করে। নিজেদের শুধু বাবা-মা ভাবার আগে একজন প্রেমিক-প্রেমিকা বা দম্পতি হিসেবে ভাবলে দাম্পত্যের গভীরতা চিরকাল বজায় থাকে।
