‘সাত বছরের প্রেম ভাঙার চেষ্টা…’ প্রেমিকার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার জেরে সহকর্মীকে কুপিয়ে খুন যুবকের – এবেলা

‘সাত বছরের প্রেম ভাঙার চেষ্টা…’ প্রেমিকার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার জেরে সহকর্মীকে কুপিয়ে খুন যুবকের – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

প্রেমিকার সঙ্গে বন্ধুত্বের খেসারত দিতে হল প্রাণ দিয়ে। প্রেমিকার সঙ্গে এক সহকর্মীর ফষ্টিনষ্টি ও ঘনিষ্ঠতা বাড়তেই ভয়ঙ্কর কাণ্ড ঘটালেন এক যুবক! সেই সহকর্মীকেই নৃশংসভাবে খুন করার অভিযোগ উঠল তাঁর বিরুদ্ধে। এই রোমহর্ষক ঘটনায় হতবাক খোদ পুলিশও।

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের গ্রেটার নয়ডায়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মৃত যুবকের নাম সুরেশ, যিনি মূলত বরেলির বাসিন্দা ছিলেন। অন্যদিকে, অভিযুক্ত যুবকের নাম নরেশ। গত বৃহস্পতিবার এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরই অভিযুক্ত নরেশকে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে সার্ভিস রোডে দুই যুবকের মধ্যে তুমুল ঝামেলা হচ্ছে—এমন খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। সেখানে গিয়ে পুলিশ দুই যুবককে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পায়। দ্রুত তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা সুরেশকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, সুরেশ এবং নরেশ একই সংস্থায় আলাদা বিভাগে কাজ করতেন। ওই সংস্থাতেই কাজ করতেন ববি নামের এক যুবতী। গত সাত বছর ধরে নরেশের সঙ্গে ববির প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু গত কয়েক মাস ধরে সুরেশের সঙ্গে ববির যোগাযোগ ও বন্ধুত্ব বাড়ে। বিষয়টি নিয়ে ঘোর আপত্তি ছিল নরেশের। তিনি সুরেশকে ববির সঙ্গে কথা বলতেও নিষেধ করেছিলেন। এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করেই দুই সহকর্মীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে অশান্তি চলছিল।

ঘটনার দিন রাতে দু’জনেই সার্ভিস রোডে একসঙ্গে দেখা করেন এবং মদপান করেন। সেই সময় ববিকে নিয়ে ফের পুরনো বচসা শুরু হয়। সামান্য কথা কাটাকাটি থেকে পরিস্থিতি হাতাহাতিতে গড়ায়। অভিযোগ, সেই সময়ই ক্ষিপ্ত হয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে সুরেশের ওপর উপর্যুপরি হামলা চালান নরেশ। এর ফলে গুরুতর জখম হন সুরেশ, এবং হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই তাঁর মৃত্যু হয়।

এই ঘটনায় পুলিশ একটি নির্দিষ্ট মামলা রুজু করে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে। হামলায় অভিযুক্ত নরেশও সামান্য চোট পেয়েছিলেন। প্রাথমিক চিকিৎসার পর পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে হেফাজতে নিয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *