“হনুমান চল্লিশাই জুগিয়েছে সাহস!” ফ্লাইদুবাইয়ের ‘হিরো’ ক্যাপ্টেনের বীরত্বে মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী মোদী – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
দুবাই: আকাশে তখন জীবন-মৃত্যুর টানাপোড়েন! ফ্লাইদুবাইয়ের বিমান ককপিটে সৃষ্টি হয়েছিল এক চূড়ান্ত ভীতিকর পরিস্থিতি। কিন্তু চরম বিপদের মুখেও হার মানেননি ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছর। তাঁর উপস্থিত বুদ্ধির জোরে মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পেয়েছেন বিমানের প্রায় ১৭০ জন যাত্রী। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে ফোনালাপে সেই রুদ্ধশ্বাস মুহূর্তের অভিজ্ঞতাই ভাগ করে নিলেন এই ‘হিরো’ পাইলট।
স্মিত জানান, সেই সংকটময় মুহূর্তে নিজের সাহস ও আত্মবিশ্বাস ধরে রাখতে তিনি পাঠ করতে শুরু করেছিলেন ‘হনুমান চল্লিশা’। আর তাতেই যেন চারপাশে সাহস ও শৌর্যের এক অদৃশ্য বর্ম তৈরি হয়ে যায়।
ককপিটে অসাধ্য সাধন: বিমানের ককপিটে যখন প্রাণনাশের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়, তখন হনুমান চল্লিশার ওপর আস্থা রেখেছিলেন ক্যাপ্টেন। তাঁর মতে, বিপদের সেই চরম মুহূর্তে হনুমান চল্লিশাই তাঁকে নির্ভীক হতে এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করেছে। শৈশব থেকেই তিনি আস্তিক, আর জীবনের চলার পথের প্রধান পাথেয় ভাগবত গীতা। পরিশ্রমের সাথে ভক্তি যুক্ত হলে যে হারা বাজিতেও জয় পাওয়া যায়, ফ্লাইদুবাইয়ের এই ঘটনা যেন তারই অন্যতম প্রমাণ।
প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা ও মুগ্ধতা: ক্যাপ্টেন স্মিতের এই বীরত্ব ও উপস্থিত বুদ্ধির প্রশংসায় পঞ্চমুখ পুরো বিশ্ব। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ফোন করে তাঁকে এই অসামান্য সাহসিকতার জন্য অভিনন্দন জানান। প্রধানমন্ত্রীর অনুপ্রেরণায় পথ চলা স্মিত জানান, নিজের আদর্শের মানুষের কাছ থেকে এই প্রশংসা পাওয়া তাঁর জীবনের অন্যতম বড় প্রাপ্তি।
শুধু ক্যাপ্টেনই নন, প্রধানমন্ত্রী মুগ্ধ হয়েছেন স্মিতের মায়ের সঙ্গে কথা বলেও। এমন সুন্দর সংস্কার ও শিক্ষা দিয়ে সন্তানকে গড়ে তোলার জন্য ক্যাপ্টেনের মায়ের ভূয়সী প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। ক্যাপ্টেনের মুখে এই ভক্তি ও সাহসের গল্প শুনে অভিভূত দেশবাসীও।
