১ ঘণ্টা ১৫ মিনিট ধরে বন্ধ সিসি ক্যামেরা, বর্ধমানে স্ট্রং রুমে চাঞ্চল্য!

১ ঘণ্টা ১৫ মিনিট ধরে বন্ধ সিসি ক্যামেরা, বর্ধমানে স্ট্রং রুমে চাঞ্চল্য!

পূর্ব বর্ধমানে ফের স্ট্রং রুমের সিসি ক্যামেরা বিভ্রাটকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলাপবাগ ক্যাম্পাসের ইউআইটি (UIT) ভবনে জেলার আউশগ্রাম, ভাতাড়, গলসি, বর্ধমান উত্তর ও বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের স্ট্রং রুমগুলো রাখা হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, রবিবার সকাল ৯টা ২৪ মিনিট থেকে আউশগ্রাম বিধানসভার স্ট্রং রুমের সিসি ক্যামেরা প্রায় সোয়া ১ ঘণ্টা ধরে বন্ধ ছিল। গণনার ঠিক আগের দিন এহেন ঘটনায় নিরাপত্তা ও নজরদারি ব্যবস্থা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

প্রশাসনের অস্বস্তি ও রাজনৈতিক চাপানউতোর

স্ট্রং রুমের মতো স্পর্শকাতর জায়গায় নজরদারি ব্যবস্থা বিকল হয়ে পড়ায় প্রশাসনের অন্দরে ব্যাপক অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এই দীর্ঘক্ষণের ‘ব্ল্যাকআউট’ কেবল যান্ত্রিক ত্রুটি হতে পারে না, এর নেপথ্যে কোনো গভীর চক্রান্ত থাকতে পারে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে জেলার রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র চাপানউতোর। নির্বাচন কমিশনের কড়া নজরদারি সত্ত্বেও কীভাবে এমন নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলো, তা নিয়ে শাসক ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে বাদানুবাদ পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

গণনার স্বচ্ছতায় প্রভাবের আশঙ্কা

ইভিএম-এর নিরাপত্তা এবং গণনার স্বচ্ছতা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যে উদ্বেগ ছিল, এই ঘটনা তা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। দীর্ঘ সময় নজরদারি না থাকায় ইভিএম-এর সুরক্ষা আদৌ অটুট আছে কি না, সেই প্রশ্নই এখন বড় হয়ে দেখা দিয়েছে। এই ধরণের যান্ত্রিক বিভ্রাট গণনার দিন সংশ্লিষ্ট এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এর ফলে ফলাফল ঘোষণার পর পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়ার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েই জনমনে সংশয় তৈরি হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে, যা গণনার পরবর্তী শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

প্রতিবেদক: বর্তমান ঠাকুর।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *