৬৮ বছরের দিদিমা প্রেমে পড়লেন অর্ধেক বয়সী যুবকের! প্রেমের ফাঁদে সর্বস্বান্ত বৃদ্ধা, ১৭ লক্ষ টাকা নিয়ে চম্পট দিল যুবক প্রেমিক – এবেলা

৬৮ বছরের দিদিমা প্রেমে পড়লেন অর্ধেক বয়সী যুবকের! প্রেমের ফাঁদে সর্বস্বান্ত বৃদ্ধা, ১৭ লক্ষ টাকা নিয়ে চম্পট দিল যুবক প্রেমিক – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

একাকিত্ব কাটাতে এবং সামাজিক কাজের সূত্রে বছর কয়েক আগে ফেসবুকের মাধ্যমে ইউকের বাসিন্দা ৬৮ বছর বয়সী বেথ হ্যামিংয়ের পরিচয় হয়েছিল ঘানার যুবক রডনির সঙ্গে। বয়সের বিশাল ব্যবধান থাকলেও দ্রুত তাঁদের বন্ধুত্ব প্রেমে রূপ নেয়। নিজের থেকে বয়সে অনেকটা ছোট রডনির ব্যক্তিত্ব এবং সমাজসেবামূলক কাজের কথায় মুগ্ধ হয়ে বেথ নিজের জীবনের সঞ্চয় তাঁর হাতে তুলে দিতে শুরু করেন। এমনকি সন্তানদের অমত থাকা সত্ত্বেও ২০১৪ সালে শুরু হওয়া এই সম্পর্কের পরিণতি হিসেবে তাঁরা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।

আবেগের আড়ালে পরিকল্পিত প্রতারণা

বিয়ের পর থেকেই পাল্টে যেতে শুরু করে রডনির আচরণ। প্রথম দিকে সামান্য টাকা ধার নিলেও ধীরে ধীরে তাঁর চাহিদার পরিমাণ বাড়তে থাকে। জানা গেছে, রডনি নিজেকে ৪০ বছর বয়সী দাবি করলেও আসলে তাঁর প্রকৃত বয়স ছিল মাত্র ৩০। আর্থিক অনটন নিয়ে বেথকে নিয়মিত কটু কথা শোনানো এবং তাঁর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করাই ছিল যুবকের কাজ। এক পর্যায়ে বেথ বুঝতে পারেন, রডনি কেবল তাঁর অর্থের প্রতিই আকৃষ্ট ছিলেন এবং তাঁর সরলতার সুযোগ নিয়ে ১৭ লক্ষ টাকার আর্থিক ক্ষতি করেছেন।

নিঃস্ব হয়ে ফেরার আকুতি

বর্তমানে বিশাল ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নিজের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা ভাগ করে নিয়েছেন বেথ। অন্যান্য নারীদের সতর্ক করে তিনি জানিয়েছেন, প্রেমের নামে এই ধরনের প্রতারণা থেকে সাবধান থাকা জরুরি। আপাতত এই বিষাক্ত সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে এসে নিজের সন্তানদের সঙ্গেই শান্তিতে বাকি জীবন কাটাতে চান তিনি। অনলাইনের আলাপচারিতা যে কোনো সময় সর্বনাশা রূপ নিতে পারে, বেথের কাহিনী আবারও সেই রূঢ় বাস্তবকে সামনে নিয়ে এল।

এক ঝলকে

  • ঘানার যুবক রডনির সঙ্গে ফেসবুকে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন ৬৮ বছর বয়সী বেথ।
  • বিয়ে করার পর প্রতারক যুবক বৃদ্ধার থেকে প্রায় ১৭ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়।
  • বয়সের লুকোচুরি ও দুর্ব্যবহারের কারণে শেষ পর্যন্ত ভেঙে যায় এই আসাম সম্পর্ক।
  • নিঃস্ব অবস্থায় নিজের ভুল বুঝতে পেরে বর্তমানে প্রতিকার খুঁজছেন এই বৃদ্ধা।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *