অনুপ্রবেশ রুখতে জিরো টলারেন্স নীতি! বিএসএফ-কে জমি দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসায় অমিত শাহ – এবেলা

অনুপ্রবেশ রুখতে জিরো টলারেন্স নীতি! বিএসএফ-কে জমি দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসায় অমিত শাহ – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

পশ্চিমবঙ্গ সীমান্তে অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণে বড়সড় পদক্ষেপ নিয়েছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র সাত দিনের মধ্যেই বিএসএফ-এর হাতে ৬০০ হেক্টর জমি তুলে দেওয়ার বিষয়টি এখন জাতীয় রাজনীতিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। গান্ধীনগরের এক জনসভা থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ রাজ্য সরকারের এই ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।

সীমান্ত সুরক্ষায় রাজ্য ও কেন্দ্রের নজিরবিহীন সমন্বয়

সীমান্তের নিরাপত্তাকে আরও নিশ্ছিদ্র করতে রাজ্য সরকার শুধুমাত্র ৬০০ হেক্টর জমিও হস্তান্তর করেনি, বরং কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘চিকেন’স নেক’ করিডরের ১২১ হেক্টর জমিও ভারত সরকারের হাতে তুলে দিয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মতে, এটি প্রমাণ করে যে অনুপ্রবেশের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে রাজ্য সরকার এখন ‘জিরো টলারেন্স’ বা শূন্য সহনশীলতার নীতি গ্রহণ করেছে। কেন্দ্রীয় সরকারের এই কঠোর অবস্থানের পাশাপাশি রাজ্য প্রশাসনের এই সক্রিয়তা সীমান্ত এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কাজকে বহুগুণ ত্বরান্বিত করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

প্রশাসনের তৎপরতায় ব্যাকফুটে অনুপ্রবেশকারীরা

অনুপ্রবেশ রোধে রাজ্য সরকার জেলায় জেলায় বিশেষ ‘হোল্ডিং সেন্টার’ খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর এই নির্দেশনার ফলে ইতিমধ্যেই অনুপ্রবেশকারীদের ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি, কঠোর নজরদারি ও প্রশাসনিক অভিযানের ভয়ে অনেক অনুপ্রবেশকারী এখন স্বেচ্ছায় দেশ ছাড়তে শুরু করেছেন। অতীতের তুলনায় বর্তমান সরকারের এই আপসহীন মনোভাব সীমান্ত পরিস্থিতিকে স্থিতিশীল করার ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। কেন্দ্র ও রাজ্যের এই যৌথ উদ্যোগের ফলে ভবিষ্যতে অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে বহিষ্কারের প্রক্রিয়া আরও সহজতর হবে বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় সরকার।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *