আমি ড্রাইভার, তুমি আমার লাভার! ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন-দুই মাসেই লাশ হলেন, ঘর ছাড়া যুবকের মর্মান্তিক পরিণতি! – এবেলা

আমি ড্রাইভার, তুমি আমার লাভার! ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন-দুই মাসেই লাশ হলেন, ঘর ছাড়া যুবকের মর্মান্তিক পরিণতি! – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

নিজের গ্রামেরই এক তরুণীর প্রেমে পড়েছিলেন লরি চালক রেভানা সিদ্ধাপ্পা। ভালোবাসার টানে ঘরবাড়ি ও নিশ্চিন্ত জীবন ছেড়ে ভিন রাজ্যে পাড়ি দিয়েছিলেন দুজনে। বয়স আঠারো হওয়ার ঠিক পরেই গুজরাটে আইনত বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন তারা। কিন্তু কয়েক দিনের সেই দাম্পত্য সুখ দীর্ঘস্থায়ী হয়নি, উল্টে তার জীবনে নেমে আসে আইনি জটিলতার কালো মেঘ।

আইনি জটিলতা ও পকসো মামলার অভিশাপ
মেয়েটির পরিবারের পক্ষ থেকে অপহরণের অভিযোগ দায়ের করা হলে পুলিশ দুজনকে গ্রেপ্তার করে। বিয়ের সময় তরুণীর বয়স আঠারো বছর পূর্ণ হতে মাত্র ১০ দিন বাকি থাকায় রেভানা সিদ্ধাপ্পার বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা রুজু হয়। নববিবাহের আনন্দের বদলে তার ঠিকানা হয় অন্ধকার কারাগার। সম্প্রতি জামিনে মুক্তি পেয়ে বাড়ি ফিরলেও মানসিক ভাবে বিধ্বস্ত ছিলেন এই যুবক।

মৃত্যু ঘিরে ঘনীভূত রহস্য
জামিনে মুক্তির মাত্র তিন দিনের মাথায় নিজের ফসলি জমির একটি গাছে রেভানা সিদ্ধাপ্পার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়। তবে এই মৃত্যুকে ঘিরে রহস্য দানা বেঁধেছে তার পকেটে থাকা স্ত্রীর ‘তালি’ বা মঙ্গলসূত্র উদ্ধারকে কেন্দ্র করে। যে স্মৃতিচিহ্নটি স্ত্রীর গলায় থাকার কথা, সেটি কেন এবং কীভাবে মৃত যুবকের পকেটে এল, তা নিয়ে উঠেছে একাধিক প্রশ্ন।

এই ঘটনাটি একদিকে যেমন আইনি মারপ্যাঁচে একটি সাজানো জীবনের ধ্বংস হয়ে যাওয়াকে তুলে ধরেছে, অন্যদিকে পুলিশি হয়রানি বা শ্বশুরবাড়ির হুমকির আশঙ্কাকেও সামনে এনেছে। পুলিশ বর্তমানে একটি মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে। ভালোবাসার মানুষের সাথে ঘর বাঁধার স্বপ্ন দেখা এক লরি চালকের এই করুণ মৃত্যু এখন ওই এলাকায় শোক ও উদ্বেগের ছায়া ফেলেছে।

এক ঝলকে

  • ভালোবাসার টানে ঘর ছাড়ার পর লরি চালক রেভানা সিদ্ধাপ্পার রহস্যজনক মৃত্যু।
  • বিয়ের সময় তরুণীর বয়স আঠারো বছর পূর্ণ হতে অল্প কিছুদিন বাকি থাকায় দায়ের হয়েছিল পকসো মামলা।
  • জামিনে মুক্তির তিন দিনের মাথায় নিজের জমিতে গাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে যুবকের ঝুলন্ত দেহ।
  • মৃতদেহের পকেটে স্ত্রীর মঙ্গলসূত্র মেলায় পুলিশি হয়রানি ও পরিবারের হুমকির সন্দেহ বাড়ছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *