আমেরিকা-রাশিয়াও হার মানবে! ভারতের মা-বোনেদের আলমারিতে থাকা সোনার দাম জানলে চমকে যাবে বিশ্ব

বিশ্ব অর্থনীতিতে ভারতের আসল শক্তি সাধারণের ঘরে জমানো সোনা
অর্থনৈতিক শক্তিতে ভারত বিশ্বমঞ্চে দ্রুত উঠে এলেও, এর আসল শক্তি লুকিয়ে আছে দেশের সাধারণ মানুষের আলমারিতে। সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ভারতের প্রতিটি ঘরে ঘরে সঞ্চিত সোনার সম্মিলিত পরিমাণ আমেরিকা, জার্মানি, ইতালি ও রাশিয়ার মতো দেশগুলোর জাতীয় স্বর্ণভাণ্ডারের চেয়েও বেশি। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের (RBI) হাতে থাকা প্রায় ১৩০.৬৮ বিলিয়ন ডলার মূল্যের স্বর্ণভাণ্ডার ছাপিয়ে, বিশ্বের মোট উত্তোলিত সোনার ১১ থেকে ১৬ শতাংশের মালিক এখন ভারতীয় গৃহস্থরা। বিনিয়োগের পাশাপাশি সোনা এখানে জীবনধারা ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ, যা দেশের অঘোষিত অর্থনীতির মেরুদণ্ড হিসেবে কাজ করছে।
বিনিয়োগের নতুন কেন্দ্রবিন্দুতে সোনা ও রূপা
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সোনার বাজার শেয়ার বাজারকেও টেক্কা দিয়েছে। তথ্য বলছে, ২০২৫ সালে সোনা বিনিয়োগকারীদের ৭৬ শতাংশ পর্যন্ত রিটার্ন দিয়েছে। তবে চমক দেখিয়েছে রূপা, যার দাম গত বছরে ১৭০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। যারা সরাসরি গয়না না কিনে গোল্ড ইটিএফ (ETF)-এ বিনিয়োগ করেছিলেন, তারাও প্রায় ৫৮.৮১ শতাংশ মুনাফা পেয়েছেন। মুদ্রাস্ফীতির অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে সোনা যে ভারতীয়দের কাছে সবচেয়ে নিরাপদ ও লাভজনক সম্পদ, এই আকাশচুম্বী দাম বৃদ্ধিই তার প্রমাণ। ১৬ এপ্রিল, ২০২৬-এর তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ২৪ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি গ্রামে ১৫,৩০০ টাকায় পৌঁছেছে।
এক ঝলকে
- ভারতের সাধারণ গৃহস্থের ঘরে বিশ্বের মোট উত্তোলিত সোনার প্রায় ১১ থেকে ১৬ শতাংশ মজুত রয়েছে।
- গত বছরে সোনা ৭৬ শতাংশ এবং রূপা রেকর্ড ১৭০ শতাংশ মুনাফা দিয়েছে, যা শেয়ার বাজারের রিটার্নকেও ছাড়িয়ে গেছে।
- বাজারে সোনার অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধিতে ২৪ ক্যারেট সোনা বর্তমানে প্রতি গ্রাম ১৫,৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
- ভারতীয়রা সোনাকে নিছক গয়না নয়, বরং মুদ্রাস্ফীতির বিরুদ্ধে সুরক্ষাকবচ ও অর্থনৈতিক শক্তির আধার হিসেবে দেখেন।
