ইরানে পরমাণু বোমা ফেলতে চেয়েছিলেন ট্রাম্প! সিআইএ বিশ্লেষকের বিস্ফোরক দাবিতে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় – এবেলা

ইরানে পরমাণু বোমা ফেলতে চেয়েছিলেন ট্রাম্প! সিআইএ বিশ্লেষকের বিস্ফোরক দাবিতে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

ইরানের সঙ্গে আমেরিকার দীর্ঘদিনের সংঘাত এবার এক ভয়ঙ্কর মোড় নেওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে। মার্কিন গুপ্তচর সংস্থা সিআইএ-র প্রাক্তন বিশ্লেষক ল্যারি জনসনের একটি সাম্প্রতিক পডকাস্ট সাক্ষাৎকারে চাঞ্চল্যকর দাবি করা হয়েছে। তাঁর মতে, ইরানকে লক্ষ্য করে পরমাণু বোমা নিক্ষেপ করার প্রাথমিক প্রস্তুতি নিয়েছিলেন খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওয়াশিংটনের অন্দরে এবং আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক শোরগোল শুরু হয়েছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতাকে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে।

পরমাণু কোড নিয়ে নজিরবিহীন সংঘাত

ল্যারি জনসনের দাবি অনুযায়ী, তেহরানের ওপর বিধ্বংসী পরমাণু হামলা চালানোর উদ্দেশ্যে ট্রাম্প অত্যন্ত সক্রিয় হয়ে উঠেছিলেন। তিনি মার্কিন ‘নিউক্লিয়ার কোড’ সম্বলিত বিশেষ ব্রিফকেস বা ‘ফুটবল’ খোলার নির্দেশ দেন। এই প্রক্রিয়া চলাকালীন শীর্ষ সেনাকর্তাদের সঙ্গে তাঁর চরম বাকবিতণ্ডা ও তর্কাতর্কি শুরু হয়। সাধারণত মার্কিন প্রেসিডেন্ট যুদ্ধের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারলেও, পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের মতো সংবেদনশীল বিষয়ে প্রতিরক্ষা দপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাঁর এই বিরোধ নজিরবিহীন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি করে।

ঘটনার নেপথ্যে কারণ ও বিশ্ব রাজনীতিতে প্রভাব

ইরানের ক্রমবর্ধমান প্রভাব প্রতিহত করা এবং দেশটিকে সামরিকভাবে পঙ্গু করে দেওয়াই ছিল এই সম্ভাব্য হামলার মূল লক্ষ্য। তবে সেনাকর্তাদের বাধার মুখে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হতে পারেনি বলে জানা গিয়েছে। যদি এই পরমাণু হামলা সফল হতো, তবে তা কেবল মধ্যপ্রাচ্য নয় বরং সমগ্র বিশ্বকে এক অভাবনীয় তেজস্ক্রিয় বিপর্যয় ও তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দিত। এই তথ্য প্রকাশ্যে আসায় আমেরিকার অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও ট্রাম্পের আক্রমণাত্মক মেজাজ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক দানা বেঁধেছে।

এক ঝলকে

  • সিআইএ-র প্রাক্তন বিশ্লেষক ল্যারি জনসনের বিস্ফোরক দাবিতে তোলপাড় বিশ্ব রাজনীতি।
  • তেহরানে পরমাণু বোমা ফেলার উদ্দেশ্যে ‘নিউক্লিয়ার কোড’ চেয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
  • পরমাণু ব্রিফকেস খোলা নিয়ে শীর্ষ সেনাকর্তাদের সঙ্গে প্রেসিডেন্টের তীব্র বাদানুবাদ হয়।
  • সেনাকর্তাদের বিরোধিতার কারণে শেষ পর্যন্ত ভয়াবহ পরমাণু যুদ্ধ এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *