ঘরে ডমরু ও ত্রিশূল এনেছেন! বাস্তুর এই ভুল নিয়ম সর্বনাশের কারণ হতে পারে না জানলে – এবেলা

ঘরে ডমরু ও ত্রিশূল এনেছেন! বাস্তুর এই ভুল নিয়ম সর্বনাশের কারণ হতে পারে না জানলে – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

শ্রাবণ মানেই মহাদেবের আরাধনা এবং দেবাদিদেব শিবের কৃপাদৃষ্টি পেতে ভক্তদের নানা আচার পালন। বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, এই পবিত্র মাসে ঘরে শিবের অত্যন্ত প্রিয় দুই প্রতীক ত্রিশূল ও ডমরু প্রতিষ্ঠা করলে গৃহের সমস্ত অশুভ শক্তি দূর হয় এবং সংসারে শান্তি ও সমৃদ্ধি ফিরে আসে। তবে এগুলি রাখার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু দিক ও নিয়মের দিকে বিশেষ নজর দেওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন, অন্যথায় উপকারের পরিবর্তে অমঙ্গল হতে পারে। বাস্তুবিদদের মতে, ডমরু ও ত্রিশূল রাখার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত স্থান হল উত্তর-পূর্ব দিক বা ঈশান কোণ। বিকল্প হিসেবে পূর্ব দিকেও এগুলি রাখা যেতে পারে, যা ঘরে ইতিবাচক শক্তির প্রবাহ বৃদ্ধি করে। ঘরের ঠাকুরের আসনে শিবলিঙ্গের পাশেই এগুলি রাখা শ্রেয়, কিংবা ছোট প্রতিকৃতি মূল দরজার উপরেও ঝুলিয়ে দেওয়া যায়।

সঠিক নিয়ম ও দিশা মেনে ত্রিশূল ও ডমরু স্থাপন করলে বাড়িতে থাকা বাস্তুদোষ ও তান্ত্রিক দোষ কেটে যায়। যে স্থানে এগুলি স্থাপন করা হবে, সেই জায়গা সর্বদা পরিষ্কার রাখতে হবে এবং নিয়মিত গঙ্গাজল ছিটানো উচিত। ত্রিশূল কেনার সময় রূপো বা তামার তৈরি ত্রিশূল কেনা সবচেয়ে শুভ, ভুলেও লোহার ত্রিশূল ব্যবহার করা উচিত নয়। নিত্যপুজোর সময় ত্রিশূলে তিলক পরানো এবং আরতির পর ডমরু বাজানো আবশ্যক, কারণ এর পবিত্র ধ্বনি পারিপার্শ্বিক আবহাওয়াকে শুদ্ধ করে। সঠিক নিয়ম মেনে মহাদেবের এই দুই প্রতীক ঘরে রাখলে আর্থিক উন্নতির পথ সুগম হয়, আটকে থাকা টাকা ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে এবং ডমরুর শান্ত সুর পরিবারের মানসিক চাপ দূর করে সৌহার্দ্য ফিরিয়ে আনে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *