ঝালমুড়ির ঠোঙায় এবার আত্মবিশ্বাসের স্বাদ, প্রধানমন্ত্রীর বিচারে ‘তারকা’ বিক্রমের দোকানে উপচে পড়া ভিড়

ঝাড়গ্রামের ঝালমুড়ি বিক্রেতা বিক্রমের জীবনে যেন এক রূপকথার ছোঁয়া লেগেছে। সচরাচর মালদহ বা ঝাড়গ্রামের অলিগলিতে ডালমুট-মশলা মেখে যাঁকে দিন কাটাতে হতো, এখন তাঁর দোকানের সামনে মানুষের উপচে পড়া ভিড়। আর এই সবটাই সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সৌজন্যে। নির্বাচনী প্রচারে এসে প্রধানমন্ত্রী হঠাৎই বিক্রমের দোকানে দাঁড়িয়ে ঝালমুড়ি খান এবং তাঁর সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলেন। সেই সামান্য কয়েক মিনিটের আলাপচারিতাই বদলে দিয়েছে বিক্রমের প্রতিদিনের লড়াইয়ের ছন্দ।
মোদীর আন্তরিকতায় ভাগ্যবদল
প্রধানমন্ত্রীর মতো প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের সঙ্গে মুখোমুখি কথা বলা বিক্রমের কাছে ছিল কল্পনাতীত। মোদী কেবল বিক্রমের হাতের ঝালমুড়ির স্বাদই নেননি, বরং তাঁর পরিবারের খোঁজ নিয়েছেন এবং কাজের প্রতি নিষ্ঠার প্রশংসাও করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর এই সাধারণ স্পর্শই বিক্রমকে সাধারণ এক হকার থেকে স্থানীয় ‘তারকায়’ পরিণত করেছে। এখন বিক্রমের দোকানে ঝালমুড়ির স্বাদের চেয়েও মানুষ বেশি আসছেন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর আলাপের গল্প শুনতে এবং বিক্রমের সাথে সেলফি তুলতে।
সাফল্যের আলো ও আগামীর রসদ
রাতভোর পাওয়া এই খ্যাতির আলোয় বিক্রম আত্মবিশ্বাসী হলেও নিজের শিকড় ভোলেননি। তাঁর দোকানে আসা গ্রাহকরা এখন তাঁকে ভিআইপি বলে সম্বোধন করলেও বিক্রম মনে করেন, প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া উৎসাহই তাঁর আগামী দিনের লড়াইয়ের আসল শক্তি। বড় নেতাদের ভিড় সরিয়ে এক প্রান্তিক মানুষের কাছে দেশের প্রধানমন্ত্রীর পৌঁছে যাওয়ার ঘটনাটি স্থানীয় পর্যায়েও ব্যাপক ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। প্রচারের শিরোনামে এলেও বিক্রমের লক্ষ্য তাঁর সাধারণ ব্যবসায়িক সততা বজায় রাখা।
এক ঝলকে
- ঝাড়গ্রামে নির্বাচনী প্রচারে এসে ঝালমুড়ি বিক্রেতা বিক্রমের সাথে আলাপ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
- প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিকতা ও প্রশংসায় রাতারাতি স্থানীয় সেলিব্রিটিতে পরিণত হয়েছেন এই বিক্রেতা।
- বর্তমানে বিক্রমের দোকানে উপচে পড়া ভিড় জমছে কেবল তাঁকে এক নজর দেখতে ও সেলফি তুলতে।
- অভাবের সংসারে প্রধানমন্ত্রীর এই উৎসাহ বিক্রমের জন্য বড় অনুপ্রেরণা ও আত্মবিশ্বাসের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
