নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে তোপ মমতার, দিল্লিতে সরব মহুয়া-সাগরিকা – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা ও কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলোর ব্যবহারের বিরুদ্ধে এবার সুর চড়াল তৃণমূল কংগ্রেস। ‘বিদ্রোহী’ শিবিরকে পিছনের দরজা দিয়ে বাড়তি সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের সচিবকে কড়া চিঠি পাঠালেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার দিল্লির সাংবাদিক বৈঠকে মোদী সরকার ও কমিশনকে তীব্র আক্রমণ করেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র এবং সাগরিকা ঘোষ।
মূল অভিযোগ: তৃণমূলের দাবি, চলতি মাসের শুরুতে ঋতব্রত শিবিরের আবেদনের প্রেক্ষিতে তৃণমূলকে মাত্র কয়েক ঘণ্টার নোটিশে ৬ জুলাইয়ের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছিল। সময় মেনে তৃণমূলের প্রতিনিধি দল সেই জবাব জমা দিলেও, বিদ্রোহী শিবির তা করেনি। উল্টে তারা ১০ জুলাই পর্যন্ত বাড়তি সময় চেয়েছিল, যা কমিশন মঞ্জুর করে। ১৩ জুলাই পেরিয়ে গেলেও অপর পক্ষ কোনও উত্তর জমা না দেওয়ায় তৃণমূলের অভিযোগ, কমিশনের এই পক্ষপাতিত্বের পিছনে নিশ্চয়ই কোনো ‘অসৎ উদ্দেশ্য’ রয়েছে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদক্ষেপ: কমিশনকে পাঠানো চিঠিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়েছেন, বিদ্রোহী শিবির সময়সীমা মানতে ব্যর্থ হয়েছে। তাই তাদের আর বাড়তি সময় না দিয়ে, শুধুমাত্র ৬ জুলাই তৃণমূলের দেওয়া নথির ভিত্তিতেই যেন তদন্তের নিষ্পত্তি করা হয়।
মহুয়া ও সাগরিকারা তোপ: সাংবাদিক বৈঠক থেকে কেন্দ্রীয় এজেন্সির ভূমিকা নিয়েও সরব হন সাগরিকা ঘোষ। তিনি বলেন, “২০১৪ সালের পর থেকে ইডির ৯০ শতাংশেরও বেশি মামলা বিরোধী নেতাদের বিরুদ্ধে। বিজেপি দেশকে একদলীয় রাষ্ট্রে পরিণত করতে চাইছে।” পাশাপাশি, অরুনাচল বা মধ্যপ্রদেশের বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীদের দুর্নীতির অভিযোগে এজেন্সির নীরবতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা। তৃণমূল নেতৃত্বের হুঁশিয়ারি, বিজেপি যত ষড়যন্ত্রই করুক না কেন, সব প্রশ্নের উত্তর দিতে তাঁরা প্রস্তুত।
