‘প্লাস্টিকের চটি কম কিনতে হবে’, জলবন্দি হাওড়ায় পরিদর্শনে গিয়ে আশ্বাস রুদ্রনীলের – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
হাওড়া: বর্ষা পুরোপুরি আসার আগেই জলমগ্ন হাওড়া পুরসভার বিস্তীর্ণ এলাকা। শুক্রবার পরিস্থিতির মোকাবিলায় ও নিকাশি সমস্যা খতিয়ে দেখতে জগাছার ৮৭ নম্বর চ্যাংড়া জলা এলাকা পরিদর্শন করলেন শিবপুরের বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষ। সঙ্গে ছিলেন হাওড়ার পুর কমিশনার তেজস্বী রানা এবং পুরসভার ইঞ্জিনিয়াররা।
কেন এই জলবন্দি দশা?
স্থানীয় বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ, এলাকাটি নিচু হওয়ায় বছরের বেশিরভাগ সময় রাস্তাঘাট জলমগ্ন থাকে। বর্ষা নামলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে ওঠে—ঘরবন্দি হয়ে পড়েন অন্তত ৫০০ পরিবার। নোংরা নর্দমার জল মাড়িয়েই ছোট শিশুদের স্কুল ও কোচিং সেন্টারে যাতায়াত করতে হয়, যা চরম স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
যা বললেন বিধায়ক:
এদিন নোংরা জলে নেমেই বাসিন্দাদের অভাব-অভিযোগ শোনেন রুদ্রনীল। এলাকাবাসীর সমস্যার সুরাহা করতে তিনি বলেন, “হাওড়ার বাসিন্দারা এতদিন বাধ্য হয়ে চামড়ার বদলে প্লাস্টিকের চটি পরতেন। আমি এমন পাকাপাকি বন্দোবস্ত করব, যাতে বাসিন্দাদের প্লাস্টিকের চটি কম কিনতে হয়।”
তিনি আরও জানান, জলনিকাশির ব্যবস্থার জন্য একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা করা হয়েছে এবং দ্রুত জমা জল বের করার কাজ শুরু হবে।
রাজনৈতিক চাপানউতোর:
হাওড়ার এই দুরবস্থার জন্য বিগত সরকারগুলোকেই দায়ী করেছেন বিজেপি বিধায়ক। রুদ্রনীল অভিযোগ করেন, “তৃণমূল এবং বাম আমলের পুর বোর্ড নিকাশি ব্যবস্থা নিয়ে কোনো কাজই করেনি। নতুন সরকার মাত্র এক মাস হলো দায়িত্ব নিয়েছে, আমরা যথেষ্ট তৎপরতার সঙ্গে সমাধানের পথ খুঁজছি।”
