বছরে কোটি টাকার বেতন, কারও মোট সম্পত্তি ৪০ কোটির, বলিউডের সেরা ৫ ধনী তারকাসঙ্গী – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
বলিউডের রুপোলি পর্দার তারকাদের চাকচিক্যময় জীবনের নেপথ্যে অন্যতম বড় ভূমিকা থাকে তাঁদের আপ্তসহায়কদের। তারকাদের প্রতি মুহূর্তের শিডিউল ঠিক করা থেকে শুরু করে তাঁদের ব্যক্তিগত ও পেশাদার জীবনের নানা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব সামলান এই বিশ্বস্ত সহযোগীরা। কাজের চাপ আর দায়িত্বের নিরিখে এই ছায়াসঙ্গীদের পারিশ্রমিকের পরিমাণও আকাশছোঁয়া। সম্প্রতি বলিউডের এমনই পাঁচ ধনী আপ্তসহায়কের আয়ের খতিয়ান প্রকাশ্যে এসেছে, যা অনেক কর্পোরেট কর্তার বেতনকেও হার মানায়।
শীর্ষে শাহরুখের ছায়াসঙ্গী, তালিকায় রয়েছেন সলমনের বন্ধুও
বলি তারকাদের আপ্তসহায়কদের মধ্যে আয়ের নিরিখে এই মুহূর্তে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছেন শাহরুখ খানের ম্যানেজার পূজা দদলানী। ২০১২ সাল থেকে বাদশার সমস্ত কাজের দেখভাল করছেন তিনি। শাহরুখের বিপুল জনপ্রিয় ‘চেন্নাই এক্সপ্রেস’ ছবির অন্যতম প্রযোজকও ছিলেন পূজা। বর্তমানে তাঁর বার্ষিক আয় প্রায় ৭ থেকে ৯ কোটি টাকা।
সম্পত্তির নিরিখে চমক সৃষ্টি করেছেন সলমন খানের আপ্তসহায়ক তথা ঘনিষ্ঠ বন্ধু জর্ডি পটেল। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ভাইজানের ছায়াসঙ্গী হিসেবে থাকা জর্ডি ম্যানেজারের দায়িত্ব সামলানোর পাশাপাশি নিজস্ব ব্যবসা ও প্রযোজনার কাজও করেন। তাঁর সুনির্দিষ্ট মাসিক বেতন জানা না গেলেও বর্তমানে তাঁর মোট সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ৪০ কোটি টাকা।
হলিউড সফর থেকে করিনা-রণবীরের সাবেক ম্যানেজারদের আয়
প্রিয়ঙ্কা চোপড়াকে হলিউডের মাটিতে প্রতিষ্ঠিত করার পেছনে অন্যতম অবদান রয়েছে অঞ্জুলা অচারিয়ার। শুরুতে নানা নেতিবাচক মন্তব্যের মুখোমুখি হলেও তিনি হাল ছাড়েননি। বর্তমানে প্রিয়ঙ্কার এই ম্যানেজারের বার্ষিক আয় প্রায় ৬ কোটি টাকা।
অন্যদিকে তারকাদের ছেড়ে যাওয়ার পরও ধনী তালিকায় নাম রয়েছে সুস্যান রডরিগেজ় এবং পুনম দমানিয়ার। যশরাজ ফিল্মসের ‘সেলিব্রিটি ম্যানেজার’ সুস্যান যখন রণবীর সিংহের আপ্তসহায়ক ছিলেন, তখন তাঁর বার্ষিক আয় ছিল প্রায় ২ কোটি টাকা। করিনা কপূরের সঙ্গে দীর্ঘ ১০ বছর কাজ করা পুনম দমানিয়া পিআর এবং কাজের তদারকির জন্য বছরে প্রায় ৩ কোটি টাকা পারিশ্রমিক পেতেন।
প্রভাব ও লাইফস্টাইলের পরিবর্তন
গ্ল্যামার জগতের এই বিশাল অঙ্কের পারিশ্রমিক স্পষ্ট করে দেয় যে, বলিউডে তারকাদের সাফল্যের পেছনে এই চালিকাশক্তিদের গুরুত্ব কতটা অপরিসীম। তারকাদের ইমেজ ধরে রাখা এবং কোটি কোটি টাকার ব্র্যান্ড এন্ডোর্সমেন্ট ডিল চূড়ান্ত করার ক্ষেত্রে এই আপ্তসহায়কদের সিদ্ধান্তই শেষ কথা হয়ে দাঁড়ায়। ফলে সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির ভেতরে তাঁরাও এখন একেকজন প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছেন।
