ভুল করেও গণেশ চতুর্থীতে দেখবেন না চাঁদ! জেনে নিন ২০২৬-এর পুজোর তারিখ ও নিয়ম – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
হিন্দু ধর্ম অনুযায়ী ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী তিথিতে সর্বাগ্রে পূজিত দেবতা গণেশের আরাধনা করা হয়। তিনি সকল বাধা-বিপত্তি দূর করেন বলে তাঁকে ‘বিঘ্নহর্তা’ বলা হয়। ২০২৬ সালে ১৪ সেপ্টেম্বর পালিত হবে এই উৎসব।
শুভ তিথি ও সময়সূচি পঞ্জিকা মতে, ২০২৬ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর সকাল ৭:০৬ মিনিটে চতুর্থী তিথি শুরু হবে এবং শেষ হবে ১৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৭:৪৫ মিনিটে। গণেশের জন্ম হয়েছিল দ্বিপ্রহরে, তাই জন্মতিথির সময়কে প্রাধান্য দিয়ে ১৪ সেপ্টেম্বরই মূল পুজো ও গণেশ প্রতিষ্ঠা সম্পন্ন হবে।
পুজো পদ্ধতি ও বিশেষ উপাচার
- গণেশ প্রতিষ্ঠা: পুজোর স্থান ভালো করে পরিষ্কার করে লাল কাপড় বিছিয়ে মূর্তি স্থাপন করতে হবে।
- অনুষঙ্গ: গণেশকে সিঁদুরের তিলক লাগিয়ে ফুল, অক্ষত চাল ও দূর্বা অর্পণ করুন। মন্ত্র জপ, আরতি এবং কথা পাঠের পর ভোগ নিবেদন করতে হয়।
- দূর্বা ও মোদক: দূর্বা গণেশের অত্যন্ত প্রিয়। ছোট ছোট আঁটি তৈরি করে তা গণেশের চরণে দেওয়া হয়। পাশাপাশি মোদক নিবেদন করা এই পুজোর অন্যতম প্রধান অঙ্গ।
গণেশ চতুর্থীতে চাঁদ দেখা কেন বারণ? এই দিনে চন্দ্র দর্শনকে অশুভ মনে করা হয়। পৌরাণিক কথা অনুসারে, চন্দ্রদেব একবার গণেশের রূপ ও উদর দেখে উপহাস করেছিলেন। রুষ্ট হয়ে গণেশ অভিশাপ দেন যে, গণেশ চতুর্থীর রাতে যে ব্যক্তি চাঁদ দেখবে, তাকে সমাজে মিথ্যা অপবাদ ও কলঙ্ক সহ্য করতে হবে। পরে চন্দ্রদেব ক্ষমা চাইলে গণেশ জানান, ১৫ দিন অন্তর চাঁদের আলো হ্রাস-বৃদ্ধি পাবে, তবে চতুর্থীর রাতে চন্দ্র দর্শনের এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে। তাই এই বিশেষ দিনে চাঁদ না দেখার পরামর্শ দেওয়া হয়।
