ভোট দিয়ে বেরিয়েই ‘ভিক্টরি সাইন’, জয়ের ব্যাপারে ১০০ শতাংশ নিশ্চিত মমতা! কত আসন পাচ্ছে তৃণমূল?

ভোট দিয়ে বেরিয়েই ‘ভিক্টরি সাইন’, জয়ের ব্যাপারে ১০০ শতাংশ নিশ্চিত মমতা! কত আসন পাচ্ছে তৃণমূল?

রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের শেষ দফায় মিত্র ইনস্টিটিউশনে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটকেন্দ্র থেকে বেরিয়েই তিনি সংবাদমাধ্যমের সামনে নিজের জয়ের ব্যাপারে পূর্ণ আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন। আত্মবিশ্বাসী সুরেই তিনি দাবি করেছেন, রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেস দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে পুনরায় ক্ষমতায় ফিরছে। দিনভর বিভিন্ন বুথ পরিদর্শন শেষে বিকেলের দিকে নিজের ভোট প্রদান করেন তিনি।

কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকায় তীব্র ক্ষোভ

ভোট দিয়ে বেরিয়েই কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, গতরাত থেকেই বিভিন্ন এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী সাধারণ মানুষের ওপর, বিশেষ করে নারী ও শিশুদের ওপর অত্যাচার চালাচ্ছে। আরামবাগ, খানাকুল ও গোঘাটের প্রসঙ্গ টেনে তিনি দাবি করেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী বিজেপির নির্দেশে কাজ করছে এবং এটি স্পষ্টতই আদালত অবমাননার শামিল। নিজের নির্বাচনী এলাকায় ভোট দিতে গিয়ে স্থানীয়দের ওপর চড়াও হওয়ার ঘটনাকে তিনি নজিরবিহীন বলে উল্লেখ করেন।

রাজনৈতিক প্রভাব ও অবস্থান

নির্বাচনের এই শেষ লগ্নে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এমন আক্রমণাত্মক অবস্থান রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। একদিকে তিনি যেমন জয়ের ব্যাপারে একশ শতাংশ নিশ্চিত থাকার বার্তা দিয়ে দলীয় কর্মীদের চাঙ্গা রাখার চেষ্টা করেছেন, অন্যদিকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ভোটারদের ভাবাবেগকে স্পর্শ করতে চেয়েছেন। এমনকি নিজের সাংবিধানিক পদের কথা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, প্রশাসনের প্রধান হিসেবে তিনি পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছেন।

এক ঝলকে

  • বিধানসভা নির্বাচনের শেষ দফায় মিত্র ইনস্টিটিউশনে ভোট দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
  • দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে তৃণমূলের জয়ের ব্যাপারে তিনি ১০০ শতাংশ আত্মবিশ্বাসী।
  • কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে ভোটারদের মারধর ও বিজেপির হয়ে কাজ করার গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন তিনি।
  • আরামবাগ ও খানাকুলের মতো এলাকায় বাহিনীর অতিসক্রিয়তাকে আদালত অবমাননা বলে দাবি করেছেন নেত্রী।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *