ভোট শেষে পরিবর্তনের হুঙ্কার দিলীপ ঘোষের! নজিরবিহীন ভোটদান কি নতুন সংকেত? – এবেলা

ভোট শেষে পরিবর্তনের হুঙ্কার দিলীপ ঘোষের! নজিরবিহীন ভোটদান কি নতুন সংকেত? – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ পর্ব শেষ হতেই রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তনের দাবি তুললেন প্রবীণ বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। খড়্গপুর সদরের প্রার্থী তথা বর্ষীয়ান এই নেতার মতে, এবারের নির্বাচনে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং রেকর্ড শতাংশ ভোটদানই স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে বাংলায় পরিবর্তনের হাওয়া বইছে। ভোটের গতিপ্রকৃতি বিশ্লেষণ করে তিনি দাবি করেন, প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে এবার বিজেপিই রাজ্যে সরকার গড়তে চলেছে।

ঐতিহাসিক ভোটদান ও পরিবর্তনের ইঙ্গিত কলকাতার মতো শহরে প্রায় ৮৮ শতাংশ ভোটদানকে ‘ঐতিহাসিক’ বলে ব্যাখ্যা করেছেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর মতে, উচ্চহারে ভোটদান সাধারণত শাসকদলের বিরুদ্ধে জনমতের প্রতিফলন হিসেবে কাজ করে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের প্রথম দফার দেওয়া পরিসংখ্যানের রেশ টেনে তিনি জানান, দ্বিতীয় দফার প্রবণতাও অত্যন্ত ইতিবাচক। ভোটারদের এই নজিরবিহীন সক্রিয়তা রাজ্যের রাজনৈতিক মানচিত্রে বড় ধরনের রদবদলের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে তিনি মনে করেন।

একক শক্তিতেই সরকার গড়ার লক্ষ্য সরকার গড়ার জন্য অন্য কোনো দলের সমর্থনের প্রয়োজন পড়বে না বলে আত্মবিশ্বাসী দিলীপ ঘোষ। আসন সংখ্যা নিয়ে এখনই সুনির্দিষ্ট কোনো ভবিষ্যদ্বাণী না করলেও তিনি জানান, গেরুয়া শিবির এবার শক্তিশালী সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে চলেছে। কোনো দল ভাঙানোর রাজনীতিতে না গিয়ে বরং কেউ স্বেচ্ছায় আসতে চাইলে তাঁদের স্বাগত জানানো হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। বিহার নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি সতর্কতার সাথে জানান, ফলাফলের সঠিক চিত্র শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করলেই স্পষ্ট হবে।

এই উচ্চমাত্রার ভোটদানের পেছনে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে কৃতিত্ব দিয়েছেন দিলীপ ঘোষ। নির্বাচন কমিশন এবং প্রশাসনের সহযোগিতাকে সাধুবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, মানুষের এই রায় বাংলার আগামীর রাজনৈতিক রূপরেখা তৈরি করে দেবে।

এক ঝলকে

  • ২০২৬ সালের নির্বাচন শেষে বাংলায় পরিবর্তনের বিষয়ে দৃঢ় আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করলেন দিলীপ ঘোষ।
  • কলকাতায় প্রায় ৮৮ শতাংশ রেকর্ড ভোটদানকে পরিবর্তনের বড় লক্ষণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন তিনি।
  • জোট বা দল ভাঙানো নয়, বরং একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়েই বিজেপি সরকার গড়বে বলে দাবি তাঁর।
  • অবাধ নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন ও পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন খড়্গপুর সদরের এই প্রার্থী।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *