মমতার খাসতালুকেই মন দিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু! নন্দীগ্রামের প্রার্থী কি তবে সেই প্রলয় পাল

২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুর—দুই কেন্দ্র থেকেই বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন হবু মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী, তাঁকে একটি আসন ছাড়তেই হবে। বিজেপি সূত্রের খবর, নিজের জেলা মেদিনীপুরের আবেগ সরিয়ে রেখে শেষ পর্যন্ত খাস কলকাতার ভবানীপুর আসনটিই নিজের হাতে রাখতে চলেছেন তিনি। ফলে শূন্য হতে চলা নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনে পদ্ম শিবিরের প্রার্থী কে হবেন, তা নিয়ে এখন তুঙ্গে জল্পনা।
কেন নন্দীগ্রাম ছেড়ে ভবানীপুরকে বাছলেন শুভেন্দু
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁর নিজের গড় ভবানীপুরে গিয়ে হারানো শুভেন্দু অধিকারীর কেরিয়ারের অন্যতম বড় মাইলফলক। সেই জয়কে মর্যাদা দিতেই তিনি এই আসনটি ধরে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এছাড়া, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কলকাতায় থেকেই প্রশাসনিক কাজ পরিচালনা করা অনেক বেশি সুবিধাজনক। জেলা থেকে রাজধানীতে নিত্য যাতায়াত প্রশাসনিকভাবে বেশ জটিল, তাই বাস্তবসম্মত কারণেই তিনি ভবানীপুরের বিধায়ক হিসেবে থাকার পক্ষপাতী।
নন্দীগ্রামে এবার কি প্রলয় পালের অভিষেক
শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রাম আসনটি ছাড়লে সেখানে উপনির্বাচনে বিজেপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে উঠে আসছে প্রলয় পালের নাম। শুভেন্দুর দীর্ঘদিনের ছায়াসঙ্গী প্রলয় ২০২১ সালে রাজনৈতিক শিরোনামে এসেছিলেন খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি ফোনালাপকে কেন্দ্র করে। নির্বাচনে সাহায্য চেয়ে মমতা তাঁকে ফোন করলেও, প্রলয় তা প্রত্যাখ্যান করে শুভেন্দুর প্রতি নিজের আনুগত্য বজায় রেখেছিলেন। সেই ‘বড় দিদি’র প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়া প্রলয় পালই এবার নন্দীগ্রামের মানুষের প্রতিনিধি হয়ে বিধানসভায় যেতে পারেন বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
প্রতিবেদক বর্তমান ঠাকুর।
