যুদ্ধকালীন তৎপরতা! জ্বালানি সাশ্রয় ও WFH-এর ডাক মোদীর, পাশে দাঁড়ালেন শাহ-পুরীরা – এবেলা

যুদ্ধকালীন তৎপরতা! জ্বালানি সাশ্রয় ও WFH-এর ডাক মোদীর, পাশে দাঁড়ালেন শাহ-পুরীরা – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বিশ্ব অর্থনীতির অস্থিরতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই সংকটের ফলে উদ্ভূত অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবিলায় দেশবাসীকে ‘দেশ আগে’ নীতি অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। হায়দরাবাদে এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী নাগরিকদের অপ্রয়োজনীয় বিদেশ ভ্রমণ এড়িয়ে চলা, সোনা কেনা সীমিত করা এবং জ্বালানি সাশ্রয়ে গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দেন। বিশেষ করে অতিমারি আমলের মতো ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ বা ঘর থেকে কাজের সংস্কৃতিতে পুনরায় ফেরার ওপর তিনি জোর দিয়েছেন।

মন্ত্রিসভার সমর্থন ও অর্থনৈতিক সুরক্ষা

প্রধানমন্ত্রীর এই দূরদর্শী উদ্যোগকে পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা এবং পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী। অমিত শাহ সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেন, পেট্রোল-ডিজেলের ব্যবহারে সংযম এবং প্রাকৃতিক চাষাবাদের মাধ্যমে ভারত এক আত্মনির্ভর ও জ্বালানি-সুরক্ষিত রাষ্ট্রে পরিণত হবে। সরকারের শীর্ষ মহলের এই তৎপরতা মূলত ক্রমবর্ধমান আমদানি খরচ, কমতে থাকা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এবং দীর্ঘমেয়াদী মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কা থেকেই তৈরি হয়েছে।

জ্বালানি সংকট ও রাজস্বের চ্যালেঞ্জ

পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী বর্তমান পরিস্থিতিকে একটি বড় বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি জানান, যুদ্ধের ফলে ভারতের জ্বালানি খাত সবথেকে বেশি চাপের মুখে রয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার খুচরা জ্বালানির ওপর শুল্ক কমিয়ে সাধারণ মানুষকে সুরক্ষা দেওয়ার চেষ্টা করলেও, প্রতি মাসে রাজস্ব ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৪,০০০ কোটি টাকা। এই বিশাল অর্থনৈতিক ঘাটতি সামাল দিতেই নাগরিকদের গণপরিবহন ব্যবহার ও কার-পুলের মতো বিকল্প পদ্ধতিতে অভ্যস্ত হওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য হলো জ্বালানি আমদানির বিল কমিয়ে যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট সরবরাহ বিঘ্ন মোকাবিলা করা।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *