রেইডে উদ্ধার ৭০ লাখ ক্যাশ ও ৪৮টি বিদেশি ঘড়ি! পটনায় এডিএম ও সাব-রেজিস্ট্রার দম্পতির বাড়িতে ধুন্ধুমার – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
September 29, 20268:18 am
পটনা: আয়বহির্ভূত সম্পত্তির অভিযোগে এবার দুর্নীতি দমন শাখার (ভিজিল্যান্স) স্ক্যানারে বিহারের দুই উচ্চপদস্থ সরকারি আধিকারিক। সোমবার পটনা ও বেগুসরাইয়ে একযোগে তল্লাশি চালিয়ে পটনার এডিএম (সাপ্লাই) রবীন্দ্র কুমার দিবাকর এবং তাঁর স্ত্রী দানাপুরের সাব-রেজিস্ট্রার কুমারী সুইটির ফ্ল্যাট ও অফিস থেকে নগদ ৭০ লাখ টাকা, সোনার গয়না এবং ৪৮টি দামি বিদেশি ঘড়ি উদ্ধার করেছে তদন্তকারী সংস্থা।
গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ভিজিল্যান্স ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো এই সরকারি দম্পতির চারটি ঠিকানায় একযোগে ‘রেইড’ চালায়। উদ্ধার হওয়া বিপুল পরিমাণ ক্যাশ মেটাতে শেষমেশ কারেন্সি কাউন্টিং মেশিন নিয়ে আসতে হয় টিমকে। তল্লাশিতে উদ্ধার হওয়া সম্পদের আনুমানিক হিসেব:
- নগদ ও অলঙ্কার: প্রায় ৭০ লক্ষ টাকা ক্যাশ এবং ৮০ লক্ষ টাকারও বেশি মূল্যের সোনার গয়না।
- বিলাসবহুল ঘড়ি: উদ্ধার হওয়া ৪৮টি আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের ঘড়ির আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি টাকার বেশি।
- স্থাবর সম্পত্তি: দানাপুরে দুটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাটসহ ফুলওয়ারি শরিফ, বলিয়া ও বেগুসরাইয়ে কোটি টাকার একাধিক জমির দলিল ও লগ্নির নথি।
নথি অনুযায়ী, এই দম্পতির মোট অর্জিত স্থাবর সম্পত্তির খতিয়ান প্রায় ২.৯২ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছে। প্রায় ১ কোটি ৬৮ লক্ষ টাকারও বেশি আয়বহির্ভূত সম্পত্তির অভিযোগে ভিজিল্যান্স ব্যুরো অফিশিয়াল এফআইআর (মামলা নম্বর ১১৩/২৬) দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে।
২০০০ সালে শিক্ষক হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করা রবীন্দ্র কুমার দিবাকর ২০০৯ সালে ডিপিআরও হন এবং পরবর্তীতে পদোন্নতি পেয়ে বিভিন্ন জায়গায় দায়িত্ব সামলানোর পর ২০২৫ সালের অক্টোবরে পটনার এডিএম হন। অন্যদিকে তাঁর স্ত্রী ২০১৩ সালে সাব-রেজিস্ট্রার হিসেবে সরকারি চাকরিতে যোগ দেন।
