সৌরভের বায়োপিকে স্নেহাশিসের চরিত্রে রাহুল, ‘দাদা’ ছবিতে বড় চমকের ইঙ্গিত – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
ভারতীয় ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সফল ও বর্ণময় অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বায়োপিক নিয়ে বিনোদন এবং ক্রীড়ামহলে কৌতূহল দীর্ঘদিনের। লাভ রঞ্জনের পরিচালনায় ‘দাদা’ নামের এই ছবির কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। এবার এই বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমাটিকে ঘিরে সামনে এল এক নতুন বড় চমক। সৌরভের অগ্রজ তথা তাঁর ক্রিকেট জীবনের অন্যতম পথপ্রদর্শক স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায়ের চরিত্রে অভিনয় করতে চলেছেন টলিউডের পরিচিত মুখ রাহুল দেব বসু।
সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের ক্রিকেট কেরিয়ারের উত্থান এবং জীবনের নানা টানাপোড়েনে তাঁর পরিবারের, বিশেষ করে দাদা স্নেহাশিসের অবদান অনস্বীকার্য। ক্রিকেট মহলের মতে, মহারাজের জীবনের গল্পে স্নেহাশিসের চরিত্রটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় রাহুল দেব বসুর অভিনয়ের সিদ্ধান্ত ছবির গভীরতা আরও বাড়িয়ে তুলবে বলে মনে করা হচ্ছে। রাহুল ইতিমধ্যেই চরিত্রের খাতিরে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন।
সৌরভের চরিত্রে রাজকুমার এবং ইডেনের যোগসূত্র
ছবিতে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের মূল চরিত্রে অভিনয় করছেন বলিউডের শক্তিমান অভিনেতা রাজকুমার রাও। সৌরভের স্বভাবসিদ্ধ ব্যাটিং শৈলী, মাঠের আগ্রাসী শরীরী ভাষা এবং ব্যক্তিত্ব ফুটিয়ে তুলতে কড়া অনুশীলন চালাচ্ছেন তিনি। ডোনা গঙ্গোপাধ্যায়ের চরিত্রের জন্য বলিউডের এক প্রথম সারির অভিনেত্রীর নাম নিয়ে জল্পনা চলছে, যা সিনেমাটিকে প্যান-ইন্ডিয়া স্তরে আরও আকর্ষণীয় করে তুলবে।
কলকাতার ক্রিকেট মক্কা ইডেন গার্ডেন্সে ছবির বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্যের শুটিং ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। সৌরভের ক্রিকেট জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ এই মাঠ, তাই শুটিংয়ের শুরুতেই ইডেনকে বেছে নেওয়া অনুরাগীদের আবেগকে আরও উসকে দিয়েছে।
প্রত্যাশা ও সম্ভাব্য প্রভাব
ক্রিকেট এবং সিনেমার এই মেলবন্ধন বক্স অফিসে বড়সড় সাফল্যের ইঙ্গিত দিচ্ছে। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় শুধু বাংলার নন, সমগ্র ভারতের এক বড় আবেগ। তাঁর অধিনায়কত্বে ভারতীয় ক্রিকেটের রূপান্তর এবং কামব্যাকের গল্প রুপোলি পর্দায় দেখার জন্য দেশজুড়ে কোটি কোটি দর্শক অপেক্ষায় রয়েছেন। স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায়ের মতো একটি বাস্তব ও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রকে নিখুঁতভাবে উপস্থাপনের মাধ্যমে ছবিটি যেমন সৌরভের পারিবারিক আবেগকে স্পর্শ করবে, তেমনই ক্রীড়াভিত্তিক বায়োপিক হিসেবে এটি ভারতীয় সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে নতুন মানদণ্ড তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
