হাতে মিশছে না ঘাসফুল! মমতার ‘ঘরওয়াপসি’র জল্পনা এক ফুঁৎকারে ওড়ালো কংগ্রেস – এবেলা
এবেলা ডেস্কঃ
নয়াদিল্লি: দীর্ঘ ২৮ বছর পর কি ফের ‘ঘরওয়াপসি’ হতে চলেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের? তৃণমূলে বিলীন হয়ে কি ফের শক্তিশালী হবে কংগ্রেস? গত কয়েকদিন ধরে দিল্লির রাজনৈতিক অলিন্দে এই জল্পনা তুঙ্গে থাকলেও, অবশেষে তাতে জল ঢালল কংগ্রেস হাইকম্যান্ড। সাফ জানিয়ে দেওয়া হলো— তৃণমূলের কংগ্রেসে মিশে যাওয়ার খবরটি সম্পূর্ণ ‘ভিত্তিহীন ও গুজব’।
শুক্রবার (১২ জুন) দিল্লিতে ইন্দিরা ভবনে কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও প্রদেশ সভাপতিদের নিয়ে একটি হাইভোল্টেজ সাংগঠনিক বৈঠকে বসেন দলের সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর উপস্থিতিতে চলা এই দীর্ঘ তিন ঘণ্টার বৈঠক শেষে দলের সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) কেসি বেণুগোপাল স্পষ্টভাবে জানান, “দু’টি দলের সংযুক্তি সম্পর্কে যা বলা হচ্ছে, তার কোনো ভিত্তি নেই।” তৃণমূলের নাম না করে তিনি আরও বলেন, “বিজেপি অন্য দলের সাংসদদের ভাঙিয়ে নিজেদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা বাড়াচ্ছে, আমরা এর বিরুদ্ধে আইনি ও রাজনৈতিক লড়াই লড়ব।”
কংগ্রেস সূত্রের খবর, এদিনের বৈঠকে তৃণমূলের সংযুক্তির বিষয়টি আলোচ্যসূচিতেই ছিল না। পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারও বৈঠকে এই প্রসঙ্গ তোলেননি। তবে বৈঠক শেষে তিনি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “রাজনীতি হলো সম্ভাবনার শিল্প। ভবিষ্যতে কী ঘটবে কেউ জানে না। তবে শেষ পর্যন্ত সবাইকেই কংগ্রেসের কাছে আসতে হবে।”
সম্প্রতি সনিয়া গান্ধীর সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রাহুল গান্ধীর সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৈঠকের পর থেকেই এই জল্পনার সূত্রপাত হয়েছিল। যদিও এই বিষয়ে জোড়াফুল শিবিরের শীর্ষ নেতৃত্ব এখনও সম্পূর্ণ নীরব। কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশও স্পষ্ট করেছেন, সনিয়া গান্ধী ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পর্ক দীর্ঘ ৪০ বছরের পুরনো, তাই তাঁদের মধ্যে বহু বিষয়ে কথা হতেই পারে, তবে দল একীভূত হওয়ার মতো কোনো আলোচনা হয়নি।
