১ মিনিটে ২০ মিউজ়িক্যাল কর্ড! গিনেজ বুকে নাম তুলে চমক মধ্যমগ্রামের ১১ বছরের যশমিতার – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
September 18, 20265:40 pm
মাত্র ১১ বছর বয়সেই গানের সুর ও জটিল মিউজ়িক্যাল কর্ডের নিখুঁত খেলায় তাক লাগিয়ে দিল মধ্যমগ্রামের যশমিতা দত্ত। বারাসাত অ্যাডামাস ওয়ার্ল্ড স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির এই পড়ুয়া অতি অল্প বয়সেই আন্তর্জাতিক স্তরে বাংলার নাম উজ্জ্বল করেছে। মাত্র ১ মিনিটের মধ্যে ২০টি মিউজ়িক্যাল কর্ড চিনে নিয়ে সরাসরি জায়গা করে নিয়েছে ‘গিনেজ বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস’-এ।
ছোট্ট ঘরজুড়ে সুরের জগৎ উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামে যশমিতার ছোট্ট ঘরটিতে ঢুকলেই চোখে পড়ে গিটান, হারমোনিয়াম ও কিবোর্ড। দেওয়ালে সাজানো একের পর এক সার্টিফিকেট ও পদক। পড়াশোনার পাশাপাশি রেওয়াজ আর বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র বাজানোই তার নিত্যদিনের সঙ্গী।
সাফল্যের খতিয়ান:
- গিনেজ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস: ২০২৬ সালে মাত্র ১ মিনিটে ২০টি মিউজ়িক্যাল কর্ড শনাক্ত করে এই বিশ্বরেকর্ড গড়েছে সে।
- ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস: ২০২৫ সালে ২ মিনিট ২ সেকেন্ডে ৩৯টি নোট এবং ২০টি কর্ড চিনে নাম তুলেছিল জাতীয় স্তরে।
- বহুমুখী প্রতিভা: গান গাওয়ার পাশাপাশি কিবোর্ড, হারমোনিকা, গিটার ও হারমোনিয়াম বাজাতে পারদর্শী যশমিতা ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি রিয়্যালিটি শো-তেও নজর কেড়েছে।
স্কুল ও পরিবারে আনন্দের বন্যা কঠিন পরিশ্রম ও একাগ্রতার পরেই এসেছে এই সাফল্য, জানাচ্ছে যশমিতা নিজেই। এই জয়ে খুশির হাওয়া তার স্কুলেও। শিক্ষকরা যেমন তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেছেন, তেমনই বন্ধুমহলে চলছে বিরিয়ানি খাইয়ে উদযাপনের মিষ্টি আবদার।
মেয়ের এই সাফল্যে চরম গর্বিত মা কোয়েল দত্ত ও বাবা একনিষ্ঠ দত্ত। তাঁদের মতে, ছোটবেলা থেকেই গানের প্রতি তীব্র ভালোবাসা এবং একনিষ্ঠ পরিশ্রমই যশমিতাকে আজ এই মঞ্চে দাঁড় করিয়েছে।
ভবিষ্যৎ লক্ষ্য তবে এখানেই থেমে থাকতে রাজি নয় এই খুদে প্রতিভা। ভবিষ্যতে একজন সফল প্লেব্যাক সিঙ্গার হওয়া এবং প্রখ্যাত মিউজ়িক কম্পোজ়ার এ আর রহমানের সঙ্গে কাজ করাই এখন যশমিতার একমাত্র স্বপ্ন।
