২০০ বছর পুরনো আত্মহত্যার ফাইলে নতুন মোড়, ফের তদন্তের মুখে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার! – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
ভোটার তালিকা সংক্রান্ত বিতর্কের মধ্যেই নতুন করে আইনি ও প্রশাসনিক চাপের মুখে পড়েছেন দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। প্রায় দুই দশক আগে কেরলের পূর্ত দপ্তরের সচিব থাকাকালীন ঘটে যাওয়া এক মালয়েশীয় ইঞ্জিনিয়ারের আত্মহত্যা মামলায় তাঁর ভূমিকা ফের খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছে কেরল সরকার। ২০০৬ সালে ২৫৪ কিলোমিটার রাস্তা তৈরির পর পাওনা টাকা না পেয়ে আত্মহত্যা করেছিলেন ঠিকাদার সংস্থার প্রধান ইঞ্জিনিয়ার লি সি বিন। তাঁর সুইসাইড নোটে জ্ঞানেশ কুমারের নাম থাকার অভিযোগে তৎকালীন বাম সরকার ভিজিল্যান্স তদন্ত শুরু করলেও তা রহস্যজনকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। সম্প্রতি এক কংগ্রেস নেতার আবেদনের প্রেক্ষিতে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তরের নির্দেশে ভিজিল্যান্স বিভাগ নতুন করে সেই পুরনো ফাইল খুলে তদন্ত শুরু করেছে।
এই পদক্ষেপ এমন এক সময়ে নেওয়া হলো, যখন ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন প্রক্রিয়া (এসআইআর) নিয়ে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে সরব। যদিও নির্বাচন কমিশন সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে এবং বর্তমানে জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে কোনো অপরাধ প্রমাণিত হয়নি, তবুও সংবিধানিক পদের সুরক্ষা তাঁর পূর্বের চাকরিজীবনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। আগের তদন্তে কোনো ধরনের প্রভাবশালী চাপ ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখার পাশাপাশি পুরনো নথি ও আত্মহত্যার চিঠি পুনর্নিরীক্ষণ করা হবে। সাংবিধানিক পদে থাকাকালীন বহু বছর আগের থমকে যাওয়া এই মৃত্যু মামলা পুনরায় চালু হওয়ায় জ্ঞানেশ কুমারের আইনি জটিলতা ও অস্বস্তি আরও বৃদ্ধি পেল।
