“৪ তারিখের পর ডিজে বাজবে আমরা বলি না, এটাই বিজেপি”: ফলতায় হুঙ্কার শুভেন্দুর – এবেলা
/indian-express-bangla/media/post_attachments/wp-content/uploads/2022/11/suvendu.jpg?ssl=1)
এবেলা ডেস্কঃ
ভোটের পর কোনো প্রতিহিংসা নয়, বরং সংযম ও সৌহার্দ্যই বিজেপির আসল সংস্কৃতি বলে দাবি করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার ফলতায় এক রাজনৈতিক কর্মিসভায় বক্তব্য রাখার সময় তিনি এই মন্তব্য করেন। তৃণমূলের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি জানান, ভোটের ফল ঘোষণার পর চার তারিখে ডিজে বাজিয়ে উৎসব করার মতো আগ্রাসী মানসিকতা বিজেপি পোষণ করে না। বরং রাজ্য সভাপতির নির্দেশ মেনে শান্তিপূর্ণভাবে অভিনন্দন যাত্রা করার দিকেই তাদের নজর।
কর্মীদের পাশে থাকার বার্তা
শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট করে দেন যে, বড় পদের চেয়েও দলের কর্মী হিসেবে নিজের পরিচয় দিতেই তিনি বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং দলের আদর্শকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াকেই তিনি নিজের প্রধান কাজ বলে মনে করেন। আগামী ১৯ তারিখ বেলা ১১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এলাকায় থেকে তিনি তৃণমূল স্তরের কর্মীদের সঙ্গে সময় কাটাবেন। বিশেষ করে যারা অতীতে রাজনৈতিক হিংসার শিকার হয়েছেন এবং মার খেয়েছেন, তাঁদের পাশে দাঁড়িয়ে ভরসা জোগানোই তাঁর মূল লক্ষ্য।
সৌহার্দ্য ও সংযমের রাজনীতি
বক্তব্যের শেষে বিজেপির রাজনৈতিক শালীনতার কথা মনে করিয়ে দিয়ে শুভেন্দু অধিকারী জানান, ফল প্রকাশের পর আনন্দের আতিশয্যে কেউ যেন কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না করে। বর্ষীয়ানদের প্রণাম করা এবং যুবকদের বুকে টেনে নেওয়ার মাধ্যমেই দলের জনসংযোগ মজবুত করতে চান তিনি। এমনকি দলের রাজ্য সভাপতির বার্তা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, আনন্দ উদযাপনের সময় কোনো অনিচ্ছুক মানুষের গায়ে যেন জোর করে আবির দেওয়া না হয়। আক্রমণাত্মক রাজনীতির বিপরীতে দাঁড়িয়ে এই সংযমী আচরণই বিজেপিকে অন্য দলগুলোর থেকে আলাদা করে বলে তিনি দাবি করেন।
এক ঝলকে
- শুভেন্দু অধিকারী নিজেকে বড় নেতার চেয়ে দলের একজন একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন।
- আগামী ১৯ তারিখ ফলতায় দিনভর রাজনৈতিক হিংসায় ক্ষতিগ্রস্ত কর্মীদের পাশে থাকার ঘোষণা করেছেন তিনি।
- ভোটের পর ডিজে বাজিয়ে উন্মাদনা করার সংস্কৃতিকে বর্জন করে সংযমের বার্তা দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা।
- অভিনন্দন যাত্রায় কোনো অনিচ্ছুক ব্যক্তির গায়ে জোর করে আবির না দেওয়ার জন্য দলীয় কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন।
