তন্দুরে স্ত্রীর দেহ পুড়িয়ে চরম নৃশংসতা, শিউরে ওঠা কাণ্ডে স্তম্ভিত গোটা দেশ!

১৯৯৫ সালের ২ জুলাই দিল্লির গোল মার্কেটের একটি সরকারি ফ্ল্যাটে তৎকালীন যুব কংগ্রেস সভাপতি সুশীল শর্মা তার স্ত্রী নয়না সাহনীকে গুলি করে হত্যা করেন। পরকীয়ার সন্দেহে এই নৃশংস কাণ্ড ঘটানোর পর প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে তিনি স্ত্রীর দেহ টুকরো করে নিজের রেস্তোরাঁ ‘বাগিয়া’-র তন্দুর চুলায় পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করেন। রেস্তোরাঁর ম্যানেজার কেশব কুমারের সহায়তায় দেহটি তন্দুরে ঢোকানোর সময় আগুনের শিখা ও ধোঁয়া দেখে স্থানীয় এক সবজি বিক্রেতা চিৎকার শুরু করলে টহলরত পুলিশ কনস্টেবল আব্দুল নজীর গুঞ্জু ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং এই বীভৎস ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে।
এই মামলাটি দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের সাক্ষী ছিল। ২০০৩ সালে নিম্ন আদালত সুশীল শর্মাকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করলেও, পরবর্তীকালে উচ্চ আদালত ও সুপ্রিম কোর্ট সেই সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়। দীর্ঘ ২৩ বছর কারাবাসের পর ২০১৮ সালে সুশীল শর্মা মুক্তি পান। ভারতের অপরাধ ইতিহাসে এই হত্যাকাণ্ডটি অন্যতম নৃশংস ও পাশবিক ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে।
