কাশী বিশ্বনাথে মোদীর বিশেষ পূজা, হাতে ত্রিশূল নিয়ে বারাণসীর রাজপথে ১৪ কিমি দীর্ঘ বর্ণাঢ্য রোড শো!

কাশী বিশ্বনাথে মোদীর বিশেষ পূজা, হাতে ত্রিশূল নিয়ে বারাণসীর রাজপথে ১৪ কিমি দীর্ঘ বর্ণাঢ্য রোড শো!

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাঁর সংসদীয় কেন্দ্র বারাণসীতে এক ঐতিহাসিক ও বর্ণাঢ্য রোড শো সম্পন্ন করেছেন। দুই দিনের সফরের দ্বিতীয় দিনে বুধবার সকালে বারাণসী লোকোমোটিভ ওয়ার্কস (বিএলডব্লিউ) থেকে শুরু হওয়া এই পদযাত্রা প্রায় ১৪ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরে গিয়ে শেষ হয়। রাস্তার দু’পাশে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকা হাজার হাজার মানুষের পুষ্পবৃষ্টি এবং ‘হর হর মহাদেব’ ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা।

ঐতিহ্যবাহী আচার ও আধ্যাত্মিক সংযোগ

রোড শো শেষে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরে প্রবেশ করেন এবং বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমে বিশেষ পূজা-অর্চনা করেন। পূজা শেষে মন্দির কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তাঁকে ঐতিহ্যবাহী ত্রিশূল, ডমরু এবং উত্তরীয় উপহার দেওয়া হয়। মন্দির চত্বরে উপস্থিত শিশুদের সাথেও তিনি সংক্ষিপ্ত সময় কাটান এবং উপস্থিত ভক্তদের অভিবাদন গ্রহণ করেন। প্রধানমন্ত্রীর হাতে ত্রিশূল প্রদর্শনের দৃশ্যটি দলীয় কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনার সৃষ্টি করে।

রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, উত্তরপ্রদেশে গঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের উদ্বোধনের আগে প্রধানমন্ত্রীর এই বিশাল রোড শো মূলত শক্তির মহড়া এবং স্থানীয়দের সাথে জনসংযোগ দৃঢ় করার একটি কৌশল। প্রায় ১৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই আয়োজনে বিজেপি কর্মী ও স্থানীয়দের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আগামী নির্বাচন বা রাজনৈতিক কর্মসূচির ক্ষেত্রে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। শঙ্খধ্বনি ও ঢোলের আওয়াজে পুরো যাত্রাপথটি একটি উৎসবের রূপ নেয়, যা এলাকায় মোদীর জনপ্রিয়তারই বহিঃপ্রকাশ।

এক ঝলকে

  • প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বারাণসীতে প্রায় ১৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এক বিশাল রোড শো পরিচালনা করেছেন।
  • রোড শোটি বারাণসী লোকোমোটিভ ওয়ার্কস থেকে শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড় পেরিয়ে কাশী বিশ্বনাথ ধামে শেষ হয়।
  • মন্দির দর্শনের সময় প্রধানমন্ত্রীকে ঐতিহ্যবাহী ত্রিশূল ও ডমরু উপহার দেওয়া হয় এবং তিনি বিশেষ পুজোয় অংশ নেন।
  • এই সফরের পরবর্তী ধাপে প্রধানমন্ত্রী উত্তরপ্রদেশের গুরুত্বপূর্ণ ‘গঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে’ উদ্বোধন করার কথা রয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *