হাসিনাকে ‘বৈধ প্রধানমন্ত্রী’ বলা শুভেন্দুর জয়ে খুশি আওয়ামি লিগ, অভিনন্দন বার্তা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর!

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির অভাবনীয় জয় এবং শুভেন্দু অধিকারীর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত হওয়ার খবরে ওপার বাংলায় বইছে খুশির হওয়া। বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তাঁর দল আওয়ামি লিগ এই বিপুল সাফল্যে বিজেপি এবং বিশেষ করে শুভেন্দু অধিকারীকে উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন। শুক্রবার আওয়ামি লিগের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এই শুভেচ্ছাবার্তা পাঠানো হয়েছে।
শুভেন্দুর দীর্ঘস্থায়ী সমর্থন ও হাসিনার কৃতজ্ঞতা
২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের পর শেখ হাসিনা ক্ষমতা হারিয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়ার পর থেকেই শুভেন্দু অধিকারী একাধিকবার তাঁকে ‘বাংলাদেশের বৈধ প্রধানমন্ত্রী’ বলে অভিহিত করেছেন। কঠিন সময়ে শুভেন্দুর এই প্রকাশ্য সমর্থনকে ভোলেননি আওয়ামি লিগ নেতৃত্ব। বিবৃতিতে হাসিনা জানিয়েছেন যে, তিনি শুভেন্দু অধিকারীকে বিশেষভাবে অভিনন্দন জানাচ্ছেন এবং পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি ভারতের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করছেন। বর্তমানে বাংলাদেশে আওয়ামি লিগের রাজনৈতিক কার্যকলাপ নিষিদ্ধ হলেও এবং ইউনুস সরকারের অধীনে হাসিনার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা চললেও, পশ্চিমবঙ্গের এই জয়কে তাদের জন্য এক ইতিবাচক বার্তা হিসেবেই দেখছে রাজনৈতিক মহল।
ট্রাম্পের অঙ্গুলিহেলনে চলছেন মোদী! বিদেশের মাটিতে ফের বিতর্কিত দাবি রাহুলের
অন্যদিকে, দিল্লির রাজনীতিতে উত্তাপ বাড়িয়েছেন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। ফের আমেরিকার মাটিতে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে কড়া আক্রমণ শানিয়েছেন তিনি। রাহুলের দাবি, প্রধানমন্ত্রী মোদীকে কার্যত নিয়ন্ত্রণ করছে আমেরিকা এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি কটাক্ষ করে বলেন, “ট্রাম্প যদি ঝাঁপ দিতে বলেন, তবে মোদীজি সেটাই করবেন।” প্রধানমন্ত্রীর বিদেশনীতি এবং আমেরিকার সঙ্গে ভারতের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে রাহুলের এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে জাতীয় রাজনীতিতে ফের সংঘাতের আবহ তৈরি হয়েছে।
তামিল ঝড়ে টালমাটাল ‘ইন্ডিয়া’ জোট, বিজয়ের সঙ্গ দেওয়ায় কংগ্রেসের হাত ছাড়ল স্ট্যালিনের দল
তামিলনাড়ুর রাজনীতির রদবদলের প্রভাব এবার সরাসরি আছড়ে পড়ল দিল্লিতে। সুপারস্টার থলপতি বিজয়ের দল ‘টিভিকে’-র সঙ্গে কংগ্রেস এবং বামেদের হাত মেলানো মানতে পারল না দীর্ঘদিনের সঙ্গী ডিএমকে। এম কে স্ট্যালিনের দল স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, তামিল রাজনীতিতে বিজয়ের দলের সঙ্গে কংগ্রেসের এই সমঝোতা তাদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। এই বিরোধের জেরে সংসদে কংগ্রেসের সঙ্গ ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ডিএমকে। এর ফলে জাতীয় স্তরে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন চিহ্ন দেখা দিয়েছে। দক্ষিণের এই রাজনৈতিক সমীকরণ দিল্লির বিরোধী ঐক্যে ফাটল ধরাবে কি না, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।
প্রতিবেদক: বর্তমান ঠাকুর।
