কেরলে জয়ের পর কাটছে না মুখ্যমন্ত্রীর জট, হাইকমান্ডের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় কংগ্রেস!

কেরলে বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল জয়ের পর সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হলেও মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচন নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা কাটেনি কংগ্রেস শিবিরে। শনিবার দিল্লিতে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের বাসভবনে কেরলের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে দীর্ঘ বৈঠক চললেও চূড়ান্ত কোনো নাম ঘোষণা করা হয়নি। দাক্ষিণাত্যের এই রাজ্যে কে মসনদে বসবেন, তার ভার এখন সম্পূর্ণভাবে দলীয় হাইকমান্ডের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
হাইকমান্ডের কোর্টে বল ও বিধায়কদের প্রস্তাব
বৈঠক শেষে কংগ্রেস নেত্রী দীপা দাশমুন্সি জানিয়েছেন যে, কেরলের নবনির্বাচিত বিধায়করা সর্বসম্মতিক্রমে একটি প্রস্তাবে সই করেছেন। এই প্রস্তাবের মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী বাছাইয়ের চূড়ান্ত ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে। দীপা দেবীর কথায়, “খুব শীঘ্রই হাইকমান্ডের কাছ থেকে আমরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পাব। ২৩ মে সরকার গঠনের শেষ দিন, তাই নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যেই যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।” মূলত দলের অভ্যন্তরে সর্বসম্মতি বজায় রাখতেই হাইকমান্ডের হস্তক্ষেপকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
দেরির কারণ ও প্রশাসনিক প্রভাব
মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচনে এই বিলম্বের প্রধান কারণ হিসেবে দলের অভ্যন্তরীণ ভারসাম্য রক্ষা এবং বিভিন্ন গোষ্ঠীর দাবিদাওয়ার বিষয়টি সামনে আসছে। একটি বড় জয়ের পর মন্ত্রিসভা গঠনে যাতে কোনো অসন্তোষ তৈরি না হয়, সেই বিষয়ে অত্যন্ত সতর্ক দিল্লি। এই পরিস্থিতির সম্ভাব্য প্রভাব হিসেবে নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ কিছুটা পিছিয়ে যেতে পারে। তবে কংগ্রেস শিবিরের দাবি, দীর্ঘস্থায়ী ও স্থিতিশীল শাসনের স্বার্থেই প্রতিটি পদক্ষেপ অত্যন্ত ভেবেচিন্তে নেওয়া হচ্ছে। ২৩ মে-র সময়সীমা মাথায় রেখেই আগামী কয়েক দিনের মধ্যে কেরলের নতুন মুখ্যমন্ত্রীর নাম ঘোষণা হতে পারে।
প্রতিবেদক: বর্তমান ঠাকুর।
