রাজধর্ম পালনে এবার মন্ত্রী দিলীপ, ছেলের সাফল্যে চোখের জলে ভাসলেন মা!

রাজ্যে নতুন সূর্যের উদয় হয়েছে, আর সেই ইতিহাসের সাক্ষী থাকলেন এক গর্বিত মা। রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন মেদিনীপুরের ভূমিপুত্র দিলীপ ঘোষ। ব্রিগেডের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান যখন টিভির পর্দায় ভেসে উঠল, তখন আবেগের বাঁধ ভেঙে গেল তাঁর মা পুষ্পলতা ঘোষের। মেদিনীপুরের পৈতৃক বাড়িতে বসে ছেলের এই রাজকীয় অভিষেক দেখে চোখের জলে ভাসলেন তিনি। দীর্ঘ লড়াই আর ত্যাগের পর ছেলের এই সাফল্য কেবল পরিবারের নয়, গোটা গ্রামের কাছেই এক বিরাট প্রাপ্তি হিসেবে ধরা দিয়েছে।
মাতৃস্নেহ ও কর্তব্যের অমোঘ টান
পুষ্পলতা দেবী স্মৃতিচারণ করে জানান যে, অনেক বছর আগেই দেশ ও দশের সেবার ব্রত নিয়ে বাড়ি ছেড়েছিলেন দিলীপ। প্রচারক জীবন থেকে শুরু করে আজ মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হওয়া— এই দীর্ঘ পথচলায় তিনি সবসময় সাধারণ মানুষের পাশেই থেকেছেন। পুষ্পলতা ঘোষের কথায়, “ছেলে মন্ত্রী হয়েছে দেখে খুব ভালো লাগছে। ও মন্ত্রী হওয়ার আগেও মানুষের জন্য কাজ করেছে, এখনও করবে।” দীর্ঘকাল বাড়ি ছাড়া থাকলেও কাজের ফাঁকে সময় পেলেই মায়ের সঙ্গে দেখা করতে আসতেন তিনি। মায়ের এই আস্থার মধ্য দিয়ে ফুটে উঠেছে এক লড়াকু জননেতার পারিবারিক ও মানবিক দিকটি।
সেবা ও আত্মত্যাগের নতুন অঙ্গীকার
মায়ের বিশ্বাস, তাঁর ছেলে যে মহান উদ্দেশ্য নিয়ে রাজনীতিতে পা রেখেছেন, তা তিনি অক্ষরে অক্ষরে পালন করবেন। তাঁর স্পষ্ট কথা, “আমার ছেলে যে কর্ম করার জন্য গিয়েছে, সেই কর্ম পূর্ণ করবে। ও দেশের জন্য সব কিছু করতে পারে।” রাজনৈতিক মহলের মতে, দিলীপ ঘোষের মতো অভিজ্ঞ ও জনভিত্তি সম্পন্ন নেতার মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তি রাজ্যের প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে এক নতুন গতি আনবে। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকার উন্নয়ন এবং প্রান্তিক মানুষের সমস্যার সমাধানে তাঁর মায়ের এই আশীর্বাদ ও দৃঢ় বিশ্বাস আগামী দিনে পাথেয় হয়ে থাকবে।
প্রতিবেদক: বর্তমান ঠাকুর।
