বিরাট-গেইলকে টপকে টি-২০ ক্রিকেটে বিশ্বরেকর্ড, শুবমান-সুদর্শনের ব্যাটে ভর করে ফাইনালে গুজরাট – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
চলতি আইপিএল-এর দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে রাজস্থান রয়্যালসকে সাত উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছে গেল গুজরাট টাইটানস। শুক্রবার রাতে ২১৫ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে গুজরাটের দুই ওপেনার শুবমান গিল ও সাই সুদর্শন ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন। অধিনায়ক শুবমান গিল মাত্র ৫৩ বলে ১০৪ রানের একটি অনবদ্য শতরানের ইনিংস খেলেন। অন্যদিকে তাঁর যোগ্য সঙ্গী সাই সুদর্শন ৩২ বলে ৫৮ রান করে দলের জয় সহজ করে দেন। এই দুই ব্যাটারের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের ওপর ভর করেই রাজস্থানকে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে দিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করল গুজরাট।
ভাঙল বিরাট-গেইলের ঐতিহাসিক রেকর্ড
ম্যাচে ওপেনিং জুটিতে ১৬৭ রান যোগ করেন শুবমান ও সুদর্শন। এই অনবদ্য পার্টনারশিপের সৌজন্যে টি-২০ ক্রিকেটের ইতিহাসে একটি বড় বিশ্বরেকর্ড নিজেদের নামে করে নিলেন তাঁরা। আইপিএল-এর মঞ্চে এই নিয়ে ১১ বার এই জুটির ব্যাটে ১০০-এর বেশি রান যোগ হলো। এর আগে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে বিরাট কোহলি এবং ক্রিস গেইলের ১০ বার শতরানের পার্টনারশিপ গড়ার রেকর্ড ছিল। শুক্রবার রাতে বেঙ্গালুরুর সেই ঐতিহাসিক রেকর্ড ভেঙে দিলেন গুজরাটের এই দুই তরুণ তুর্কি। এর পাশাপাশি আইপিএল প্লে-অফের ইতিহাসেও এটি এখন যে কোনো উইকেটে সর্বোচ্চ রানের পার্টনারশিপ। ২০১১ সালের ফাইনালে চেন্নাই সুপার কিংসের মাইকেল হাসি ও মুরলী বিজয়ের ১৫৯ রানের রেকর্ডকে টপকে গেলেন তাঁরা।
ফাইনালে দ্বিতীয় খেতাবের লড়াই
রবিবার মেগা ফাইনালে নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর মুখোমুখি হবে গুজরাট টাইটানস। দুই দলই এর আগে একবার করে আইপিএল ট্রফি জিতেছে, ফলে রবিবারের জয়ী দল দ্বিতীয়বারের জন্য চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করবে। ঘরের মাঠে খেলার কারণে শুবমানরা গ্যালারির বাড়তি সমর্থন পাবেন, যা তাঁদের মানসিক দিক থেকে এগিয়ে রাখছে। বিশেষ করে ওপেনিং জুটির এই দুর্দান্ত ফর্ম গুজরাট শিবিরের আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছে। তবে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আরসিবি-র কাছে এই মাঠ পরিচিত হওয়ায় রবিবারের ফাইনালে দুই দলের মধ্যে একটি হাই-ভোল্টেজ ও হাড্ডাহাড্ডি লড়াই দেখার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
